গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণা চলছে। চারটি প্রশ্নের ভোটপ্রক্রিয়া, সরকারি পক্ষপাত এবং জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণভোট। সরকারি প্রচারণার মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফটোকার্ড, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রচার এবং পোশাক কারখানার সামনে ব্যানারসহ নানা মাধ্যমে জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
সরকারের এই পদক্ষেপ প্রমাণ করছে, রাষ্ট্রীয় প্রশাসন এবং প্রতিষ্ঠানসমূহের সম্পূর্ণ তৎপরতা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের পক্ষপাত প্রকাশ গণভোটের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সাধারণ ভোটাররা চারটি ভিন্ন প্রশ্নে একটিমাত্র ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন, যা প্রক্রিয়ার জটিলতা এবং জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে।
অতীতের গণভোটের অভিজ্ঞতা দেখায়, রাষ্ট্রীয় আয়োজনের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়ে থাকে। ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালের গণভোটে অংশগ্রহণ এবং ফলাফলের স্বচ্ছতা নিয়ে সংশয় ছিল। এবারও সরকারের প্রচারণা এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যসহ গণভোট আয়োজনের প্রেক্ষাপটে জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন কতটা সম্ভব, তা বড় প্রশ্ন হিসেবে রয়ে যাচ্ছে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোটের সমস্যা
গণভোটে চারটি ভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ভোটারদের একটিমাত্র মার্কা দেওয়ার ব্যবস্থা, নির্বাচনের জটিলতা এবং স্বচ্ছতার প্রশ্ন উত্থাপন করছে। সরকারের পক্ষ থেকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য দৃশ্যমান প্রচারণা ফলাফলের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছে।















