Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করা এবং আঞ্চলিক সামষ্টিক কল্যাণে যৌথ উদ্যোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভুটানের জোরালো সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জার্মানি যাওয়ার পথে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত ট্রানজিট বিরতি নিলে তাঁর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়।

দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় অবতরণ করলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিমানবন্দরে ভিভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থানকালীন এক ঘণ্টার বিশেষ আলোচনায় প্রতিনিধি দুজন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ হিসেবে ভুটানের ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং দুই দেশের চমৎকার কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা জানান, সার্ক সক্রিয় হলে এই অঞ্চলের জনগণের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। তাই স্থবির হয়ে পড়া সার্ককে পুনরায় কার্যকর করতে ভুটানের পূর্ণ সমর্থন কামনা করেন তাঁরা।

এ সময় ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) প্রকল্পে বাংলাদেশের পেশাদার, দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর মাধ্যমে কারিগরি ও উন্নয়নমূলক সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ। আলোচনা শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জার্মানির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। উক্ত উচ্চপর্যায়ের ট্রানজিট বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করা এবং আঞ্চলিক সামষ্টিক কল্যাণে যৌথ উদ্যোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভুটানের জোরালো সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জার্মানি যাওয়ার পথে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত ট্রানজিট বিরতি নিলে তাঁর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়।

দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় অবতরণ করলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিমানবন্দরে ভিভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থানকালীন এক ঘণ্টার বিশেষ আলোচনায় প্রতিনিধি দুজন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ হিসেবে ভুটানের ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং দুই দেশের চমৎকার কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা জানান, সার্ক সক্রিয় হলে এই অঞ্চলের জনগণের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। তাই স্থবির হয়ে পড়া সার্ককে পুনরায় কার্যকর করতে ভুটানের পূর্ণ সমর্থন কামনা করেন তাঁরা।

এ সময় ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) প্রকল্পে বাংলাদেশের পেশাদার, দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর মাধ্যমে কারিগরি ও উন্নয়নমূলক সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ। আলোচনা শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জার্মানির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। উক্ত উচ্চপর্যায়ের ট্রানজিট বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।