দুই পক্ষের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে অন্তত সাত এবং রাশিয়ায় তিনজন নিহত
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের পরও সংঘাত বাড়ছে, বাড়ছে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান সংঘাতে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলায় উভয় দেশে বেশ কয়েকজন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
রাশিয়ার ভ্লাদিমির অঞ্চলে ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একটি দম্পতি ও তাদের ১২ বছর বয়সী সন্তান রয়েছে। একই ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশু গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের নিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের নিকোপোল শহরে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় একটি যাত্রীবাহী বাসে আঘাত হানে। এতে অন্তত চারজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হন।
দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন শহরেও রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় তিনজন বয়স্ক মানুষ নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। শহরটি সামনের সারির খুব কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে হামলার মাত্রা বেশি বলে জানা গেছে।
এই হামলাগুলো এমন এক সময় ঘটছে, যখন ইউক্রেন সম্প্রতি রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে আঘাত জোরদার করেছে।
এদিকে, রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলে একটি ভূপাতিত ড্রোন একটি গুদামের ছাদে পড়লে একজন আহত হন এবং কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উভয় পক্ষই একে অপরের ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে। ইউক্রেন জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার ছোড়া শতাধিক ড্রোনের মধ্যে বেশিরভাগই ভূপাতিত করেছে। অন্যদিকে রাশিয়াও বহু ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংসের কথা বলেছে।
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন। তিনি ইস্টার উপলক্ষে সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বানও জানান।
তবে সাম্প্রতিক হামলার পর তিনি অভিযোগ করেন, রাশিয়া এই প্রস্তাবে সাড়া দিতে আগ্রহী নয় এবং সংঘাত অব্যাহত রাখছে। অন্যদিকে মস্কো জানিয়েছে, তারা সামগ্রিক শান্তি চুক্তির পক্ষেই রয়েছে।
















