, ,,
সত্য প্রকাশে সবসময়
Advertisement
  • মূলপাতা
    শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা

    শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা

    মাদকেই সৃষ্টি কিশোর গ্যাং

    মাদকেই সৃষ্টি কিশোর গ্যাং

    বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে

    বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে

    নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে ‘পুশইনের’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

    নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে ‘পুশইনের’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

    ১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন

    ১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন

    কর্ণফুলীতে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ

    কর্ণফুলীতে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ

    বনানী থেকে নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    বনানী থেকে নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় যৌথ অঙ্গীকারের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় যৌথ অঙ্গীকারের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    তিস্তায় তীব্র ঢল, ১১ জেলায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দী

    তিস্তায় তীব্র ঢল, ১১ জেলায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দী

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
    শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা

    শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা

    মাদকেই সৃষ্টি কিশোর গ্যাং

    মাদকেই সৃষ্টি কিশোর গ্যাং

    বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে

    বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে

    নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে ‘পুশইনের’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

    নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে ‘পুশইনের’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

    ১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন

    ১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন

    কর্ণফুলীতে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ

    কর্ণফুলীতে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ

    বনানী থেকে নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    বনানী থেকে নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেফতার

    জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় যৌথ অঙ্গীকারের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় যৌথ অঙ্গীকারের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    তিস্তায় তীব্র ঢল, ১১ জেলায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দী

    তিস্তায় তীব্র ঢল, ১১ জেলায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দী

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
সত্য প্রকাশে সবসময়
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

মাদকেই সৃষ্টি কিশোর গ্যাং

Correspondent 2 by Correspondent 2
June 24, 2026
in দেশীয় সংবাদ
0
মাদকেই সৃষ্টি কিশোর গ্যাং

দেশে ব্যাপকহারে আসছে মাদক এবং একইভাবে বাড়ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা। মাদকাসক্তদের মধ্যে কিশোর-তরুণদের সংখ্যা বেশি। অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও চিকিত্সকদের মতে, ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সিদের সংখ্যাই সর্বাধিক। তারা ইয়াবা ও গাজায় আসক্ত। রাজধানীসহ দেশব্যাপী পাড়া-মহল্লায় ও গ্রামে গ্রামে কিশোর গ্যাং তৈরির মূলেও এই মাদক। নৃশংস হত্যাকাণ্ডসহ অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে মাদকই অন্যতম কারণ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, বছিলা ও রায়েরবাজার বধ্যভূমি এবং কবরস্থানের আশপাশে অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং রয়েছে। রামদা, চাপাতি, ছুরি, নানা ধরনের অস্ত্র তাদের সঙ্গে থাকে। মোহাম্মদপুর, মিরপুর, উত্তরা, বাড্ডা, সবুজবাগ, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, পুরান ঢাকাসহ রাজধানী জুড়ে প্রকাশ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। চাপাতি দিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে লোকজনকে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে তারা। অনেক সময় দেহ থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এমন নির্মম, নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা করে আসছে।

এছাড়া খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত হচ্ছে কিশোর গ্যাং। ভাড়ায় খুন, দখলবাজি ও এলাকার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণসহ সকল অপরাধ করে আসছে। রাজধানীসহ দেশব্যাপী একটি আতঙ্কের নাম কিশোর গ্যাং। এলাকার বড়ভাই, একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতা, ভূমিদস্যুসহ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তাদের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে এই সব কিশোর গ্যাংদের তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে আসছে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মাদক হলো কিশোর গ্যাং, পেশাদার কিলারসহ নিষ্ঠুর অপরাধী হওয়ার অন্যতম কারণ। কিশোর বয়সে যাদের থাকার কথা স্কুলে-কলেজে, যাদের হাতে থাকার কথা বই, তাদের বৃহত্ অংশ এখন মাদক বেচাকেনা ও ব্যবসায় জড়িত। বিগত সরকারের আমল থেকে শুরু হয়েছে কিশোরদের মধ্যে চাপাতি, অস্ত্র ও মাদকের ব্যবহার। বর্তমানে দেশব্যাপী কিশোর গ্যাংয়ের পাড়া-মহল্লা ও এলাকাভিত্তিক তৎপরতা বেড়েই চলছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, দেশব্যাপী মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করতে। পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিশোর গ্যাং সদস্যসহ সকল ধরনের অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় রাজধানী ও ঢাকার বাইরে সকল মেট্রোপলিটন এবং সকল জেলার থানা এলাকায় অভিযান শুরু হয়েছে। কিন্তু সে অনুযায়ী দৃশ্যমান ফলাফল ততটা দেখা যাচ্ছে না। তবে রাজধানীর মোহাম্মদপুর (তেজগাঁও) বিভাগসহ কিছু এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই অর্ধশতাধিক কিশোর, তরুণ গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। তবে কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা, নীরব চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ অন্যান্য অপরাধ কমেনি। একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কিশোর গ্যাংকে মাদক ব্যবসা, মার্কেটসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মিল-কারখানার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও জমি দখলে একশ্রেণির ‘বড়ভাই’ ব্যবহার করে আসছে। কিশোর গ্যাং সদস্যসহ অপরাধীদের অনেকে ধরা পড়লেও ‘বড় ভাইদের’ সহযোগিতায় তারা সহজে বের হয়ে আসে এবং পুনরায় পূর্ণ উদ্যমে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, খুন-খারাবি শুরু করে দেয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আমরা আশাতিরিক্ত ফল পেয়েছি। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এতে মাদক কারবারিদের অনেকেই আইনের আওতায় এসেছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, রাজধানীসহ দেশব্যাপী র‍্যাবের অভিযান চলমান। অনেক অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটিত হচ্ছে, খুনিরাও গ্রেপ্তার হচ্ছে। অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিপ্তরের একজন কর্মকর্তা, অপরাধ বিজ্ঞানী ও একাধিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবাসহ মাদকের চালান আসা বন্ধ করতে হবে। এই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত মাদক নিয়ন্ত্রণে আসবে না, মাদকাসক্তও কমবে না এবং কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতাও বন্ধ হবে না।

অতি সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা ও তার দুই সন্তান নিয়ে মোহাম্মদপুরে এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যাচ্ছিলেন। মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পের পাশের রোড দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি দেখেন, কিশোর, তরুণেরা পলিথিনে করে ছোট ছোট প্যাকেটে ইয়াবা, গাজা বিক্রি করছে। এগুলো কিনে একশ্রেণির তরুণ মোটরসাইকেলযোগে চলে যাচ্ছে। তার মতে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দৈনিক যে পরিমাণ মাদক উদ্ধার করে, প্রতিদিন দেশে প্রবেশ করা মাদকের তুলনায় তা মহাসমুদ্রে একফোটা পানির মতো। জেনেভা ক্যাম্প হলো ইয়াবাসহ মাদক বেচাকেনার বাজার। সীমান্ত থেকে সরাসরি এ ক্যাম্পে মাদক চলে আসে। ৮টি গ্রুপ এই ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণ করে। ‘বড়ভাইরা’ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একশ্রেণির সদস্য নিয়মিত তাদের কাছ থেকে উৎকোচ পাচ্ছে—এমন তথ্য এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ বলেন, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবাসহ সকল ধরনের মাদক প্রবেশ বন্ধ করতে না পারলে, শুধু মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষে সীমিত জনবল দিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সর্বনাশা মাদক থেকে কোমলমতি কিশোরদের রক্ষা করা শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে সম্ভব নয়। সকল রাজনৈতিক দল, সমাজ ও অভিভাবকদের মাদক প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। সিংগাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ডসহ অনেক দেশে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রি ও ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর সব আইন রয়েছে। এ আইন প্রয়োগের কারণে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঐ সব দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

পুলিশের সাবেক আইনজিপি মো. নূরুল হুদা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে রাজধানী থেকে শুরু করে মাঠ পর্যন্ত কঠোর আইন প্রয়োগ করা ছাড়া এটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে সব ধরনের মাদক যেন প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল বলেন, তার চেম্বারে আসা রোগীদের মধ্যে মাদকাসক্ত কিশোর ও তরুণদের সংখ্যা সর্বাধিক। কীভাবে আসক্ত হলো—এ প্রশ্নের উত্তরে বলেছে, এলাকার বড়ভাইদের পক্ষে এগুলো বিক্রি করতে গিয়ে তারা আসক্ত হয়ে পড়েছে। তারা ফ্রি মাদক পায় এবং সেবন করে। চিকিৎসায় এই আসক্তদের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কম। নিয়মিত ইয়াবা খেয়ে এই তরুণরা চরম নিষ্ঠুর হয়ে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে কোন আবেগ কাজ করে না। তারা আচরণ রূঢ় হয়ে যায়। তাদের পক্ষে খুনসহ সব ধরনের অপরাধই করা সম্ভব। প্রায় একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রাহেনুল ইসলাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, সমাজে মাদকের যত বেশি সহজলভ্যতা থাকবে, মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যাও তত বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে অপরাধ প্রবণতা।

Previous Post

বিশ্বকাপ ২০২৬: শেষ ৩২-এ উঠেছে যারা, বিদায় নিশ্চিত যাদের

Next Post

বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে

Correspondent 2

Correspondent 2

Related Posts

শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা
দেশীয় সংবাদ

শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা

June 24, 2026
0
বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে
দেশীয় সংবাদ

বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে

June 24, 2026
0
নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে ‘পুশইনের’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি
দেশীয় সংবাদ

নওগাঁ সীমান্তে ৯ জনকে ‘পুশইনের’ চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

June 24, 2026
0
১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন
দেশীয় সংবাদ

১০ হাজার ফেরত পাঠিয়েছি, অপেক্ষায় ১,৮০০ জন

June 24, 2026
0
কর্ণফুলীতে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ
দেশীয় সংবাদ

কর্ণফুলীতে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ

June 24, 2026
0
বনানী থেকে নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেফতার
দেশীয় সংবাদ

বনানী থেকে নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেফতার

June 24, 2026
0
Next Post
শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা

শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে উন্নয়নশীল বিশ্বে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ইন্দোনেশিয়া
  • বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা, স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের ওপর জোর
  • শাহজালালের নতুন এটিসি টাওয়ারে রাজস্বে ঊর্ধ্বগতি, তিন মাসে আয় প্রায় ২০০ কোটি টাকা
  • বৈদেশিক ঋণের ৮৯% গেছে ঋণ পরিশোধে
  • মাদকেই সৃষ্টি কিশোর গ্যাং

Recent Comments

No comments to show.

Archives

  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

Browse by Category

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
  • About Us
  • Archives
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Home 1
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

© 2025

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

© 2025