নিরাপত্তা প্রশ্নে ভিন্ন সিদ্ধান্তে ক্রিকেটের ন্যায্যতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মন্তব্য
বাংলাদেশকে নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অবস্থানকে অসঙ্গতিপূর্ণ ও হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। তার মতে, নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির ভিন্ন মানদণ্ড ক্রিকেটের ন্যায্যতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা বলে ভারত পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি ভারতের ম্যাচগুলো দুবাইয়ে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে একই ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না চাইলেও আইসিসি বিসিবির অনুরোধে ম্যাচ ভেন্যু পরিবর্তনে সম্মত হয়নি।
এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, একজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে বাংলাদেশ ও আইসিসির বিভিন্ন ইভেন্টে খেলার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আইসিসির অবস্থানে তিনি গভীরভাবে হতাশ।
আফ্রিদি বলেন, ২০২৫ সালে পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ আইসিসি গ্রহণ করলেও, একই ধরনের বোঝাপড়া বাংলাদেশকে দেওয়া হয়নি। এটি স্পষ্টতই একটি দ্বৈত মানদণ্ডের উদাহরণ।
তিনি আরও বলেন, ক্রিকেট ন্যায্যতা ও ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত। আইসিসির দায়িত্ব হওয়া উচিত দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করা, বিভাজন তৈরি করা নয়। তার ভাষায়, বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও কোটি কোটি সমর্থক সম্মানের দাবিদার—দ্বৈত আচরণের নয়।
বাংলাদেশ ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ বাতিল করে আইসিসি। এ সিদ্ধান্ত জানাতে বিসিবিকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ আগের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানালে গত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেয় আইসিসি।
বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে তারা এই সুযোগ অর্জন করে। বর্তমানে স্কটল্যান্ডের রেটিং ১৮২ ও পয়েন্ট ৪১৭৮, যা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করা দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। যদিও তারা ইউরোপিয়ান বাছাইপর্বে নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও জার্সির পেছনে থেকে বাদ পড়েছিল।
















