ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ ও বিভিন্ন কৌশলগত বিকল্প নিয়ে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশেষ ব্রিফিং প্রদান করেছেন মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সামরিক পদক্ষেপের নানা রূপরেখা তুলে ধরেন, যেখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনও উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন কূটনৈতিক ও সামরিক সূত্রের বরাਤੇ জানা গেছে যে, আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ওয়াশিংটন ও জেরুজালেম যৌথভাবে ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, জ্বালানি স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন গুদামগুলোর ওপর ‘স্বল্পমেয়াদি কিন্তু তীব্র সামরিক অভিযান’ পরিচালনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
এই প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত এক সপ্তাহে দক্ষিণ ইসরায়েলের নেভাতিম ও ওভদা বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টির বেশি সামরিক পরিবহন বিমান অবতরণ করেছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেષকদের তথ্যানুযায়ী, টেক্সাসের বিগস আর্মি এয়ারফিল্ড থেকে উড়ে আসা এসব কার্গো বিমানের পাশাপাশি জর্ডান, সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতেও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। ইরান সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মজবুত করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এর অংশ হিসেবেই টেক্সাস থেকে একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইউনিট ওই অঞ্চলে প্রেরণ করা হচ্ছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নিশ্চিত করেছে।























