আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন শুরুতে লাইভ টেলিকাস্ট হবে এবং সাংবাদিকদের বসার ব্যবস্থা থাকবে- এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সচিব বলেন, আজ সকাল ১১টার সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মাননীয় স্পিকারের সঙ্গে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনার মূল বিষয় ছিল ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬’। ভোটের তারিখ ২০ আগস্ট, দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ বিরতীতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হতে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা তাদের নিজ নিজ আসনে বসবেন। নির্বাচন কমিশনের সহায়তাকারী কর্মকর্তারা (স্পিকারসহ ২০ জন) ব্যালট পেপার সদস্যদের কাছে পৌঁছে দেবেন। সদস্যরা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে চিহ্নিত করে সামনে রাখা তিনটি ব্যালট বক্সের যেকোনোটিতে ভোট প্রদান করবেন। তিনি জানান, বিকেল ৫টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে অধিবেশন কক্ষেই ভোট গণনা করা হবে। মোট ব্যালট সংখ্যা ৩৪৯টি। গণনা শেষে প্রাথমিক ফলাফল সেখানে সিইসি (প্রধান নির্বাচন কমিশনার) ঘোষণা করবেন এবং পরবর্তীতে সচিবালয় থেকে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনি প্রক্রিয়া সংসদ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এবং সংবাদকর্মীদের জন্য নির্ধারিত বসার ব্যবস্থা থাকবে।
ইসি সচিব বলেন, ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে। একটা হচ্ছে মুড়ি-এতে ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর এবং সইয়ের জায়গা থাকবে। অন্য অংশে এতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে এবং পাশে ভোটারকে নাম লিখে সই করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের ২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত থাকবেন এবং তাদের জন্য আলাদা আইডি কার্ড থাকবে। নির্বাচন কমিশনারগণও উপস্থিত থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ বিরতিতে নির্বাচন হচ্ছে। তারা প্রত্যক্ষ করবেন।
সাংবাদিকে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রার্থীর নামের পাশে ভোটারকে পূর্ণ নাম লিখে সই করতে হবে।
কোনো এমপি যদি তার দলের প্রার্থীর বাইরে অন্য কাউকে ভোট দেন তবে তা ‘ফ্লোর ক্রসিং’ বা ৭০ অনুচ্ছেদের আওতায় পড়বে কি না জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক প্রশ্ন এবং নির্বাচনের পদ্ধতিগত বিষয়ের বাইরে। তাই রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে এর উত্তর জেনে নেওয়াই ভালো।
গত ২৪ জুলাই ২২ তম রাষ্ট্রপতি মো. সহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ২০ আগস্ট ভোটের তারিখ রেখে তফসিল ষোষণা করে ইসি।
















