, ,,
সত্য প্রকাশে সবসময়
Advertisement
  • মূলপাতা
    দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

    বিএনপির বিরুদ্ধে অসত্য কথা জনগণ মেনে নেবে না: ফারুক

    বিএনপির বিরুদ্ধে অসত্য কথা জনগণ মেনে নেবে না: ফারুক

    রামুতে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

    রামুতে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

    জঙ্গি নাটক সাজিয়ে মেজর জাহিদকে হত্যা; সত্য জানাই হলো কাল

    জঙ্গি নাটক সাজিয়ে মেজর জাহিদকে হত্যা; সত্য জানাই হলো কাল

    টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবি: উদ্ধার ১৮, নিখোঁজ ৯

    টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবি: উদ্ধার ১৮, নিখোঁজ ৯

    গণতন্ত্রকে বেহাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

    গণতন্ত্রকে বেহাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

    প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে এবার অ্যারোস্পেস বিশেষজ্ঞ স্পারসোর চেয়ারম্যান

    প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে এবার অ্যারোস্পেস বিশেষজ্ঞ স্পারসোর চেয়ারম্যান

    ঊর্ধ্বমুখী বাজার দর, কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

    ঊর্ধ্বমুখী বাজার দর, কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

    জুলাইযোদ্ধারা ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, সিস্টেমের পরিবর্তন চেয়েছে: জামায়াত আমির

    জুলাইযোদ্ধারা ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, সিস্টেমের পরিবর্তন চেয়েছে: জামায়াত আমির

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
    দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

    বিএনপির বিরুদ্ধে অসত্য কথা জনগণ মেনে নেবে না: ফারুক

    বিএনপির বিরুদ্ধে অসত্য কথা জনগণ মেনে নেবে না: ফারুক

    রামুতে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

    রামুতে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

    জঙ্গি নাটক সাজিয়ে মেজর জাহিদকে হত্যা; সত্য জানাই হলো কাল

    জঙ্গি নাটক সাজিয়ে মেজর জাহিদকে হত্যা; সত্য জানাই হলো কাল

    টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবি: উদ্ধার ১৮, নিখোঁজ ৯

    টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবি: উদ্ধার ১৮, নিখোঁজ ৯

    গণতন্ত্রকে বেহাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

    গণতন্ত্রকে বেহাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

    প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে এবার অ্যারোস্পেস বিশেষজ্ঞ স্পারসোর চেয়ারম্যান

    প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে এবার অ্যারোস্পেস বিশেষজ্ঞ স্পারসোর চেয়ারম্যান

    ঊর্ধ্বমুখী বাজার দর, কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

    ঊর্ধ্বমুখী বাজার দর, কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা

    জুলাইযোদ্ধারা ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, সিস্টেমের পরিবর্তন চেয়েছে: জামায়াত আমির

    জুলাইযোদ্ধারা ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, সিস্টেমের পরিবর্তন চেয়েছে: জামায়াত আমির

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
সত্য প্রকাশে সবসময়
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

ইরানের পথে বাংলাদেশ?

TR-C2 /Tuhin by TR-C2 /Tuhin
February 1, 2026
in সম্পাদকীয়
0
ইরানের পথে বাংলাদেশ?

জামায়াতের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ—খোমেনির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ইতিহাস কি পুনরাবৃত্তি হতে পারে?

১৯৭৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনি গণতন্ত্রের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে কীভাবে ইরানে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন—সেই ইতিহাস থেকে বাংলাদেশের জন্য কোন শিক্ষা রয়েছে, বিশেষত যখন জামায়াত ক্ষমতার কাছাকাছি অবস্থানে?

১৯৭৯ সালের ১৬ জানুয়ারি। শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী দেশ ত্যাগ করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইরানের তেহরানে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে আসে। তাদের স্বপ্ন ছিল গণতন্ত্র, স্বাধীনতা আর সুশাসন। কিন্তু ৪৭ বছর পর আজকের ইরানের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন—সেখানে চলছে ভয়ঙ্কর স্বৈরশাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, নারীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ।

বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসার প্রেক্ষাপটে ইরানের সেই ইতিহাস নতুন করে আলোচনায় উঠে আসছে। প্রশ্ন উঠছে—বাংলাদেশ কি একই ধরনের ঐতিহাসিক পরিণতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে?

খোমেনির প্রতিশ্রুতি ও বিশ্বাসঘাতকতা

ইসলামী বিপ্লব-পরবর্তী ইরানের প্রথম প্রেসিডেন্ট আবুলহাসান বনি-সদর তার মৃত্যুর আড়াই বছর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকার দেন। ২০১৯ সালের শুরুতে ফ্রান্সের প্যারিস উপকণ্ঠ ভার্সাইতে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বনি-সদরকে খুব বিষণ্ণ দেখায়।

বনি-সদরের বর্ণনায় উঠে আসে, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ক্ষমতা দখলের পর কীভাবে বিপ্লবের নীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। বনি-সদর মনে করেন, নির্বাসিত জীবন শেষে বিদেশ থেকে খোমেনিকে তেহরানে ফিরিয়ে আনা হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে তিনি যে ধোঁকা দিয়েছেন, তা বিপ্লবীদের মাঝে খুব কটু স্বাদ রেখে গেছে।

বনি-সদর রয়টার্সকে বলেন, “ফ্রান্সে অবস্থানকালে খোমেনি সবসময় মুক্ত গণতন্ত্রের পক্ষে ছিলেন। পশ্চিমা পর্যবেক্ষকদের কাছে খোমেনি এমন একটি আধুনিক ইসলামের ব্যাখ্যা সমর্থন করছেন বলে মনে হচ্ছিল, যেখানে ধর্ম ও রাজনীতি আলাদা রাখা হয়।”

কিন্তু বিমান থেকে ইরানে নামার পরপরই খোমেনি বদলে যান। হাজার বছরের ঐতিহ্যে গড়া সেক্যুলার ইরানে জেঁকে বসে মোল্লাতন্ত্র।

প্যারিস থেকে তেহরান: একটি রূপান্তরের গল্প

বিপ্লবের আগে আয়াতুল্লাহ খোমেনি ও বনি-সদর দুজনই প্যারিসে নির্বাসনে ছিলেন। শাহ রাজবংশের কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময় ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি খোমেনি ইরান ত্যাগ করেন। প্রথমে তুরস্কে যান, সেখান থেকে ইরাক। শেষ পর্যন্ত প্যারিসের বাইরের একটি গ্রামের সাধারণ বাড়িতে স্থায়ী হন। সেখান থেকেই তিনি ইরানের ইসলামপন্থী বিপ্লবের ভিত্তি গড়েন।

ইরানের তৎকালীন এক শিয়া ধর্মগুরুর ছেলে বনি-সদর তখন প্যারিসে অর্থনীতির ছাত্র। ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সম্পর্কের কারণে বনি-সদর খোমেনিকে কেবল ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে সহযোগিতাই করেননি, পরবর্তীকালে তিনি খোমেনির একজন ঘনিষ্ঠ সহচর ও সহকর্মী হয়ে ওঠেন।

১৯৮০ সালের জানুয়ারিতে খোমেনির আশীর্বাদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন বনি-সদর। কিন্তু দেড় বছরের মাথায় খোমেনিই তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ১৯৮১ সালে ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন এবং ২০২১ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই নির্বাসিত ছিলেন।

খোমেনির প্রতিশ্রুতি: ৪৭ বছর পরের বাস্তবতা

বিপ্লবের নেতৃত্ব দেওয়ার দুই মাস পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তার রাজনৈতিক দর্শনের কিছু দিক তুলে ধরেন। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে পশ্চিমাদের সমালোচনা করে তিনি ঘোষণা দেন, ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত ইরানের নতুন ব্যবস্থা প্রমাণ করবে যে, একমাত্র ইসলামী গণতন্ত্রই সঠিক।

তিনি দাবি করেন, ইসলামে কোনো দমন-পীড়ন নেই এবং ইসলামী সরকার অন্যায় করে না। তিনি ঘোষণা দেন, “আজ ইরানে যা কিছু আছে, সবই পরিবর্তন করতে হবে।”

কিন্তু তার এই ভাষণের ৪৭ বছর পর আজকের ইরানের দিকে তাকালে দেখা যায় সেখানে চলছে ভয়ঙ্কর স্বৈরশাসন। মত প্রকাশের কোনো স্বাধীনতা নেই। হাজার হাজার বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীকে খুন করা হচ্ছে। অর্থনীতির অবস্থা শোচনীয়। নারীদের কোনো সম্মান নেই।

বাংলাদেশে জামায়াতের উত্থান: নজিরবিহীন পরিস্থিতি

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জামায়াতে ইসলামী রীতিমতো ক্ষমতার কাছাকাছি অবস্থান করছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগ নিয়ে জামায়াত দ্রুত নিজেকে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

যদি ঘটনাচক্রে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট বিজয়ী হয়ে যায়, তবে এটি হবে দলটির জন্য নাটকীয় প্রত্যাবর্তন—যে দলটি বাংলাদেশের জন্মের কেবল বিরোধিতাই করেনি, ১৯৭১ সালে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের সঙ্গী হয়েছে।

জরিপে চমকপ্রদ ফলাফল

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট’ (IRI)-এর এক জরিপে দেখা গেছে, বিএনপির জনসমর্থন যেখানে ৩৩ শতাংশ, সেখানে জামায়াত ২৯ শতাংশ সমর্থন নিয়ে খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। অন্য একটি জরিপেও একই ধরনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে; সেখানে ৩৪.৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে বিএনপি শীর্ষে থাকলেও জামায়াতের অবস্থান ছিল ৩৩.৬ শতাংশে।

এই তথ্য ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ পর্যবেক্ষক মনে করেন, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচন ছিল সব দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। ওই চারটি নির্বাচনে জামায়াত সর্বোচ্চ ১২.১৩ শতাংশ (১৯৯১) এবং সর্বনিম্ন ৪.২৮ শতাংশ (২০০১) ভোট পেয়েছিল।

এ যাবৎ অনুষ্ঠিত ১২টি নির্বাচনে জামায়াত কখনোই ১৮টির বেশি সংসদীয় আসনে জয়ী হতে পারেনি। সেই প্রেক্ষাপটে বর্তমান জরিপের ফলাফল একটি নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

শফিকুর রহমানের আশ্বাস ও উদ্বেগ

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বারবার বলছেন যে, তারা নির্বাচিত হলে বাংলাদেশে ইসলামী শাসনব্যবস্থা নয়, বরং কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। তার এই কথায় অনেকেই আশ্বস্ত হতে পারছেন না।

কারণ ১৯৪০-এর দশকের শুরুতে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি প্যান-ইসলামিস্ট আন্দোলনে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো ভারতে রয়েছে জামাত-ই-ইসলামী হিন্দ, পাকিস্তানে আছে জামায়াত-ই-ইসলামী পাকিস্তান আর আফগানিস্তানে সক্রিয় জামিয়াত-ই-ইসলামী। সবগুলো দলই এক সূত্রে গাঁথা।

কয়েকদিন আগে শফিকুর রহমান বলেছেন যে, তারা প্রথম ইসলামী রাষ্ট্র মদিনার আদলে বাংলাদেশে ইসলামী নীতির ভিত্তিতে একটি সমাজ গঠন করতে চান। এ কথা মনে রাখা দরকার, শফিকুর রহমান কিন্তু দলের সভাপতি বা চেয়ারপারসন নন; তিনি ‘আমির’, যার প্রতিশব্দ ‘কমান্ডার’।

মওদূদীর স্বপ্ন ও জামায়াতের আদর্শ

জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী পাকিস্তান সৃষ্টির বিরোধিতা করে সমগ্র ভারতকে ‘দারুল ইসলামে’ রূপান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করা প্রথম মুসলমানদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে মওদূদী ইসলামিক বিপ্লবের স্বপ্ন দেখতেন।

এই দলগুলোর সব সদস্য বিশ্বাস করেন, ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য যারা কাজ করে তারা কেবল বাংলাদেশ, ভারত বা পাকিস্তানে থামবে না। ইসলামের বিপ্লবী ধারণার ওপর ভিত্তি করে সারা মানবজাতির মধ্যে ব্যাপক বিপ্লবকে তারা প্রভাবিত করবে।

বাংলাদেশের সমাজে ইসলামপন্থী ধারা

সন্দেহ নেই, বাংলাদেশি সমাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইসলামপন্থী ধারার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। দেশজুড়ে ধর্মভীরুতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসলামের রক্ষণশীল ব্যাখ্যা অধিকতর গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে জামায়াতে ইসলাম ইসলাম নয়, এমনটাই অধিকাংশ মানুষ মনে করেন। বাস্তবতা এই যে, একটি আন্তঃআঞ্চলিক ইসলামপন্থী আন্দোলন থেকে বিকশিত হয়ে জামায়াত বাংলাদেশে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জামায়াতের একজন শীর্ষ নেতা সম্প্রতি আল জাজিরাকে বলছিলেন, তাদের আনুমানিক দুই কোটি সমর্থক রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার নিবন্ধিত সদস্য আছেন, যাদের ‘রুকন’ বলা হয়।

ইরানের পথে বাংলাদেশ?

ঘরপোড়া গরু যেমন সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়, বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ মনে করে—ফেব্রুয়ারির আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হলে তাদের ভাগ্যে জুটবে ঘোর অমানিশা।

জামায়াত-নেতৃত্বাধীন কোনো জোট যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ ইসলামি প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরের একটি বাস্তব ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশ একটি ইসলামপন্থী শক্তির নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত কি না—সে প্রশ্ন নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, এমন নেতৃত্ব শরিয়াহ আইন প্রয়োগের চেষ্টা করতে পারে, যেখানে নারীদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হতে বাধ্য। আগামী নির্বাচনের পর বাংলাদেশ বর্তমান ইরানের পথে যাত্রা করে কিনা, এ নিয়ে অনেকেই আতঙ্কিত।

ইতিহাসের এই সতর্কবার্তা বাংলাদেশের ভোটাররা কতটা গুরুত্ব দিয়ে নেবেন, তা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে স্পষ্ট হবে।

Tags: ইরানি বিপ্লবখোমেনিজামায়াত ইসলামীবাংলাদেশ নির্বাচনশফিকুর রহমান
Previous Post

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতির জীবনে মাইলফলক : নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ

Next Post

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি পুলিশ সংগঠনে নতুন নেতৃত্ব

TR-C2 /Tuhin

TR-C2 /Tuhin

Related Posts

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের বহুমাত্রিক তাৎপর্য
সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের বহুমাত্রিক তাৎপর্য

June 24, 2026
0
মেঘালয়ে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তোড়জোড়: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন ‘মরণফাঁদ’?
সম্পাদকীয়

মেঘালয়ে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তোড়জোড়: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন ‘মরণফাঁদ’?

April 29, 2026
0
বাংলাদেশে যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বিকশিত হতে পারে না
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বিকশিত হতে পারে না

April 17, 2026
0
রাষ্ট্রভাবনার পাশাপাশি কেন সমাজভাবনাও জরুরি
সম্পাদকীয়

রাষ্ট্রভাবনার পাশাপাশি কেন সমাজভাবনাও জরুরি

April 12, 2026
0
বাল্যবিবাহের পক্ষে প্রচার থামাবে কে
সম্পাদকীয়

বাল্যবিবাহের পক্ষে প্রচার থামাবে কে

April 12, 2026
0
ওরা দেশদ্রোহী
সম্পাদকীয়

জ্বালানি সংকটের জেরে নড়াইলে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যা: দেশজুড়ে হাহাকার ও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

March 30, 2026
0
Next Post
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি পুলিশ সংগঠনে নতুন নেতৃত্ব

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি পুলিশ সংগঠনে নতুন নেতৃত্ব

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম
  • ভিয়েতনামে বাংলাদেশিদের প্রতি দূতাবাসের সতর্কতা
  • ‘তোমাকে ছাড়া এখনো বেঁচে আছি’— প্রভার রহস্যময় বার্তা
  • বিএনপির বিরুদ্ধে অসত্য কথা জনগণ মেনে নেবে না: ফারুক
  • অগ্নিশ্বর কলা: লাল রঙের দুর্লভ ফল

Recent Comments

No comments to show.

Archives

  • July 2026
  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

Browse by Category

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
  • About Us
  • Archives
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Home 1
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

© 2025

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

© 2025