দেশের ফলের বাজারে নতুন আকর্ষণ তৈরি করেছে অগ্নিশ্বর কলা। লাল বা খয়েরি রঙের খোসাযুক্ত এই বিশেষ জাতের কলা স্বাদ, গুণাগুণ ও বৈচিত্র্যের কারণে মানুষের নজর কেড়েছে। বিশ্বজুড়ে এটি ‘রেড ব্যানানা’ বা লাল কলা নামে পরিচিত হলেও অগ্নিশ্বর কলা নামে এটি বিশেষভাবে পরিচিতি পাচ্ছে।
সাধারণ হলুদ কলার তুলনায় অগ্নিশ্বর কলার বাহ্যিক রূপ সম্পূর্ণ আলাদা। এর খোসা গাঢ় লাল, খয়েরি কিংবা লালচে-বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। পাকা অবস্থায় এর ভেতরের শাঁসে হালকা গোলাপি, ক্রিম বা বাদামি আভা দেখা যায়। আকর্ষণীয় রঙের পাশাপাশি এর স্বাদও সাধারণ কলার চেয়ে আলাদা। এটি তুলনামূলক বেশি মিষ্টি এবং এতে হালকা সুগন্ধ রয়েছে।
অগ্নিশ্বর কলার বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- লালচে বা খয়েরি রঙের আকর্ষণীয় খোসা।
- সাধারণ কলার তুলনায় বেশি মিষ্টি স্বাদ।
- শাঁস নরম ও সুগন্ধযুক্ত।
- বাজারে তুলনামূলকভাবে দুর্লভ জাত হিসেবে পরিচিত।
পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই কলা:
বিশেষজ্ঞদের মতে, অগ্নিশ্বর কলায় রয়েছে ক্যারোটিন, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রচুর খাদ্যআঁশ। এতে চর্বির পরিমাণ খুব কম থাকায় এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। নিয়মিত ফল খাওয়ার তালিকায় এটি যুক্ত করলে শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যেতে পারে।
স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী:
অগ্নিশ্বর কলার খাদ্যআঁশ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে। শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ও সুস্থতার জন্যও এটি একটি পুষ্টিকর ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও পুষ্টিগুণের কারণে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যেও এর চাহিদা বাড়ছে।
কৃষি খাতেও অগ্নিশ্বর কলা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। সঠিক পরিচর্যা ও উৎপাদন বাড়ানো গেলে এই বিশেষ জাতের কলা দেশের ফলের বাজারে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
















