ঢাকা লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ সংবাদ ::
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে : মাহদী আমিন মেসির বিদায়ী ম্যাচে কেবল এক ম্যাচ খেলবেন আরও দুই আর্জেন্টাইন চীনে বাংলাদেশি ওষুধ প্রবেশের পথ সুগম করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে ৫,৬০০ মিটার গভীরে নতুন সম্ভাবনার সন্ধান হাসিনাকে না ফিরিয়ে ভারত ষড়যন্ত্র করছে: প্রেস ক্লাবের সমাবেশে রিজভী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু, ১৫ উন্নয়ন প্রকল্প বিবেচনার সম্ভাবনা গুলশানে বিকাশের টাকা পরিশোধ না করে পালানোর সময় যুবককে গণপিটুনি থেকে উদ্ধার করল পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল ও বিপুল পরিমাণ বারুদ উদ্ধার, নাশকতার আশঙ্কা সিলেটে হামের প্রকোপ অব্যাহত, ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় ১৫ জন উদ্ধার

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আওয়ামী লীগের ৭ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সন্তোষ; আদালতে ককটেল বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ Time View

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় ন্যায়-সুবিচার নিশ্চিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে, ফাঁসির রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আদালতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তাধীন বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের মেগা প্রজেক্টের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জুমার নামাজের কথা বলে গুলশানে মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এতে পুলিশের কোনো ব্যর্থতা নেই।

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদের-সাদ্দামসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। মামলার রায়ে দণ্ডিত সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্তকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেন কর্মকর্তারা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে দাখিল করা হয়।

একই দিন অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল-২। ধাপে ধাপে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ শুনানি শেষে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Emdadul Islam

Popular Post

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে : মাহদী আমিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আওয়ামী লীগের ৭ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সন্তোষ; আদালতে ককটেল বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু

Update Time : ১০:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় ন্যায়-সুবিচার নিশ্চিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে, ফাঁসির রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আদালতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তাধীন বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের মেগা প্রজেক্টের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জুমার নামাজের কথা বলে গুলশানে মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এতে পুলিশের কোনো ব্যর্থতা নেই।

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদের-সাদ্দামসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। মামলার রায়ে দণ্ডিত সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্তকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেন কর্মকর্তারা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে দাখিল করা হয়।

একই দিন অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল-২। ধাপে ধাপে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ শুনানি শেষে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।