যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার মেরিন ওয়ান ওয়াশিংটনের রিগ্যান ন্যাশনাল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নরত একটি যাত্রীবাহী বিমানের অত্যন্ত কাছে চলে যাওয়ায় তদন্ত শুরু করেছে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA) ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (NTSB)।
এফএএ জানিয়েছে, মঙ্গলবারের ঘটনায় দুই উড়োজাহাজের মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব সাময়িকভাবে কমে গেলেও পরে তারা নিরাপদে একে অপরের থেকে দূরে সরে যায়। সংস্থাটি আরও জানায়, পুরো সময় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার দুই উড়োজাহাজের পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো ঝুঁকিতে ছিলেন না।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনার পর প্রণীত নীতিমালা অনুসারে মেরিন ওয়ানের উড্ডয়নের সময় বাণিজ্যিক ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার কথা থাকলেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা তা করেননি।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুরে ট্রাম্পকে নিয়ে মেরিন ওয়ান হোয়াইট হাউসের এলিপস এলাকা থেকে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। সেখান থেকে প্রেসিডেন্টের লস অ্যাঞ্জেলেস সফরে যাওয়ার কথা ছিল।
একটি সূত্র জানিয়েছে, আমেরিকান এয়ারলাইন্সের সহযোগী প্রতিষ্ঠান পরিচালিত এনভয় এয়ারের একটি যাত্রীবাহী বিমান ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত ছিল। এছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আরেকটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটের রুটও পরিবর্তন করা হয়।
ঘটনার পর এনটিএসবি পৃথক তদন্ত শুরু করেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে একই বিমানবন্দরের কাছে একটি সামরিক হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হওয়ার পর থেকে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
















