ক্যাথলিক চার্চের প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো লাতিন আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন পোপ লিও চতুর্দশ। আগামী ৬ থেকে ১৭ নভেম্বর তিনি উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও পেরু সফর করবেন বলে বুধবার ভ্যাটিকান ঘোষণা দিয়েছে।
এই সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পেরু, যেখানে পোপ লিও দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় মিশনারি ও পরে চিকলায়ো ডায়োসিসের বিশপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে তিনি পেরুর নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০২৩ সাল পর্যন্ত ওই ডায়োসিসের নেতৃত্ব দেন। ২০২৫ সালে পোপ নির্বাচিত হওয়ার পর উদ্বোধনী ভাষণে তিনি চিকলায়োর মানুষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান।
সফরসূচি অনুযায়ী, ৬-৮ নভেম্বর উরুগুয়ের মন্টেভিডিও, পাইসান্দু ও ফ্লোরিডা, ৮-১১ নভেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেস, কর্দোবা ও লুহান এবং ১১-১৭ নভেম্বর পেরুর লিমা, চিকলায়ো, কুসকো ও পুকালপা সফর করবেন তিনি। বিস্তারিত কর্মসূচি পরে প্রকাশ করা হবে।
আর্জেন্টিনা সফরও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রায় ৪০ বছর পর কোনো পোপ দেশটি সফর করবেন। সর্বশেষ ১৯৮৭ সালে পোপ জন পল দ্বিতীয় সেখানে গিয়েছিলেন। যদিও আর্জেন্টিনায় জন্ম নেওয়া পোপ ফ্রান্সিস তাঁর ১২ বছরের পোপত্বকালে নিজ দেশে আর ফিরে যাননি।
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্যাথলিক জনগোষ্ঠী লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে বসবাস করলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে ক্যাথলিক চার্চের প্রভাব কমছে এবং ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টধর্মের বিস্তার বাড়ছে।
পোপ লিও দায়িত্ব গ্রহণের পর আন্তর্জাতিক সফরও জোরদার করেছেন। দক্ষিণ আমেরিকা সফরের আগে আগামী সেপ্টেম্বরে তিনি ফ্রান্স সফর করবেন। এ বছর ইতোমধ্যে তিনি আফ্রিকার চারটি দেশ এবং স্পেনও সফর করেছেন।
















