জার্মানির লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে একটি বিস্ফোরকযুক্ত ড্রোন উদ্ধারের পর ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ড্রোনটির সঙ্গে একটি অজ্ঞাত ধরনের বিস্ফোরক ও ডেটোনেটর সংযুক্ত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার মধ্যরাতের কিছু আগে রানওয়ের কাছে একটি উড়ন্ত বস্তু দেখতে পাওয়ার পর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ উত্তর রানওয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেয়। পরে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী রোবট ব্যবহার করে ড্রোনটি পরীক্ষা করে এর ডেটোনেটর অপসারণ করা হয়। দক্ষিণ রানওয়েটি তখন নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ ছিল।
ঘটনার কারণে কয়েকটি ফ্লাইট, যার মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বিমানও ছিল, বিকল্প বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর উত্তর রানওয়ে পুনরায় চালু করা হয়।
পূর্বাঞ্চলীয় স্যাক্সনি অঙ্গরাজ্যের প্রসিকিউটররা, যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও চরমপন্থাসংক্রান্ত অপরাধের তদন্ত করেন, ঘটনাটির তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনের পরিচয় বা ঘটনার পেছনে কারা জড়িত সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে রানওয়ে বন্ধ থাকায় অবতরণ বাতিল করে ঘুরে যাওয়া একটি কার্গো বিমান আকাশে আরেকটি অজ্ঞাত বস্তুর সঙ্গে সংঘর্ষে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিমানটি পরে হ্যানোভার বিমানবন্দরে অবতরণ করলে ক্ষতির বিষয়টি ধরা পড়ে। তবে এই ঘটনাটি উদ্ধার হওয়া ড্রোনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না, তা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ জানিয়েছে, যাত্রী বা বিমানবন্দর কর্মীদের জন্য কোনো তাৎক্ষণিক ঝুঁকি ছিল না এবং বর্তমানে বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলের ছবিতে একটি ইউক্রেনীয় আন্তোনভ কার্গো বিমানের কাছে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী রোবট নিয়ে কাজ করতে দেখা গেলেও ওই বিমানটিই লক্ষ্যবস্তু ছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি তদন্তকারী সংস্থা।















