যুক্তরাষ্ট্র ও নরওয়ের নৌবাহিনী আর্কটিক অঞ্চলে উন্নত সামুদ্রিক ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির সক্ষমতা যাচাইয়ে প্রায় তিন সপ্তাহব্যাপী যৌথ মহড়া পরিচালনা করেছে। এতে মানববিহীন জলযান ও পানির নিচের ড্রোন ব্যবহার করে কঠিন আবহাওয়ায় নজরদারি, হুমকি শনাক্তকরণ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়ের রামসুন্ড নৌঘাঁটি থেকে পরিচালিত এই মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের টাস্ক ফোর্স–৬৬ ও টাস্ক ফোর্স–৬৮ এবং রয়্যাল নরওয়েজিয়ান নৌবাহিনী অংশ নেয়। মহড়ায় মানববিহীন সারফেস ভেসেল (USV) ও আন্ডারওয়াটার ভেহিকল (UUV) ব্যবহার করে শীতপ্রধান পরিবেশে অভিযান পরিচালনা এবং দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, আর্কটিক ও উত্তরাঞ্চলে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এই যৌথ প্রশিক্ষণ ন্যাটোর নজরদারি, প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অবকাঠামো সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিকে ভবিষ্যৎ নৌ-অভিযানের অন্যতম প্রধান সক্ষমতা হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আর্কটিক অঞ্চলে উন্নত ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় সামুদ্রিক প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়লে কঠিন ও দুর্গম এলাকায় নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে। তবে এ ধরনের প্রযুক্তির বিস্তার ভবিষ্যতে আঞ্চলিক সামরিক প্রতিযোগিতাও আরও তীব্র করতে পারে।
















