আর্কটিক অঞ্চলে বরফ দ্রুত গলে যাওয়ায় রাশিয়ার পারমাণবিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিনগুলোর নিরাপত্তা আগের তুলনায় বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে এক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এতে বলা হয়েছে, এই পরিবর্তন ন্যাটোর জন্য নতুন কৌশলগত সুযোগ তৈরি করলেও অতিরিক্ত চাপ আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া উত্তর সাগরপথকে (নর্দার্ন সি রুট) বাণিজ্য ও সামরিক প্রভাব বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ করিডোরে পরিণত করতে চায়। এজন্য দেশটি আর্কটিকে সামরিক ঘাঁটি পুনর্গঠন, নৌ উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করছে।
বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, রাশিয়ার সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক শক্তির বড় অংশ কোলা উপদ্বীপে অবস্থান করছে। তবে আর্কটিকের বরফ কমে যাওয়ায় সাবমেরিনগুলোকে নিরাপদ বরফাচ্ছাদিত এলাকায় পৌঁছাতে আরও বেশি সময় লাগছে, ফলে সেগুলো শত্রুপক্ষের নজরদারি ও সাবমেরিনবিরোধী অভিযানের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ন্যাটো ইতোমধ্যে আর্কটিকে সামরিক উপস্থিতি, নজরদারি সক্ষমতা এবং সাবমেরিনবিরোধী প্রযুক্তি জোরদার করছে। তবে বিশ্লেষকদের সতর্কতা, রাশিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে তা অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক উত্তেজনা কিংবা আরও ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার কারণ হতে পারে।
















