যুক্তরাজ্য, ইতালি ও জাপানের যৌথ ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান কর্মসূচি ‘গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম (জিসিএপি)’ ঘিরে ড্রোন কৌশলের সমন্বয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, অংশীদার দেশগুলো আলাদাভাবে ড্রোন উন্নয়ন করায় ভবিষ্যতে যৌথ সামরিক সক্ষমতা ও ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিসিএপি প্রকল্পে প্রতিটি দেশ নিজস্ব সার্বভৌম প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বজায় রাখতে চায়। তবে একই যুদ্ধবিমান ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবহারের জন্য আলাদা নকশা ও সফটওয়্যারে তৈরি ড্রোন ভবিষ্যৎ অভিযানে সমন্বয়, তথ্য আদান-প্রদান এবং পরিচালনায় জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্বল্প ব্যয়ে অধিকসংখ্যক স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধড্রোন ব্যবহারের ধারণা সফল করতে হলে অভিন্ন প্রযুক্তি ও সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োজন। অন্যথায় পৃথক জাতীয় কর্মসূচির কারণে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে এবং যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দেখিয়েছে যে শুধু উন্নত ড্রোন নয়, বরং গোয়েন্দা তথ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সমন্বিত কমান্ড কাঠামোই আধুনিক যুদ্ধে সাফল্যের মূল ভিত্তি। তাই জিসিএপি প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে অংশীদার দেশগুলোর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় জরুরি।
















