আগস্টে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের থাইল্যান্ড সফরে কক নদীর দূষণ, সীমান্তবর্তী ধোঁয়াজনিত বায়ুদূষণ, মাদক পাচার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে থাই সরকার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ড এসব সমস্যা মোকাবিলায় মিয়ানমারের কাছ থেকে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চানভিরাকুল বলেন, মিয়ানমারের উজানে খনন কার্যক্রমের কারণে কক নদীতে দূষণ বেড়েছে বলে উদ্বেগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করা হবে। এর আগে বিভিন্ন পরীক্ষায় নদীর পানিতে আর্সেনিক ও বিরল ধাতব উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় থাই কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যঝুঁকি পর্যবেক্ষণ এবং বিকল্প পানির উৎস নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে সীমান্তবর্তী এলাকায় কৃষিজমি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট ধোঁয়াজনিত বায়ুদূষণ কমানো, মাদক উৎপাদন ও পাচার দমনে যৌথ পদক্ষেপ এবং পরিবেশ ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হবে। থাইল্যান্ড জানিয়েছে, এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রস্তাব আগেই প্রস্তুত করা হয়েছে এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও প্রাথমিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, থাই সরকার এই সফরকে কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আয়োজন হিসেবে নয়, বরং সীমান্ত অতিক্রমকারী পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করার সুযোগ হিসেবে দেখছে। এসব সমস্যা এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
















