প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া তাদের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্রম ও সক্ষমতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াকে এখন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের পাশাপাশি একটি শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের (কেআইএনইউ) এক প্রতিবেদনে এই মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া ২০২৫ সালে ‘রিকনাইস্যান্স জেনারেল ব্যুরো’র নাম পরিবর্তন করে ‘জেনারেল রিকনাইস্যান্স ইনফরমেশন ব্যুরো’ রাখে এবং এর দায়িত্ব ও সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নতুন কাঠামোর মাধ্যমে সংস্থাটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও বিতরণে আরও বিস্তৃত ভূমিকা পালন করবে এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে আর আলাদা কোনো বিশেষ লক্ষ্য হিসেবে নয়, বরং অন্যান্য প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রের সঙ্গে একই কাঠামোয় বিবেচনা করা হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সম্পৃক্ততার ফলে ইউক্রেন ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো সম্পর্কেও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। একই সঙ্গে উপগ্রহ, ড্রোন, সাইবার অভিযান, বৈদেশিক গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং সামরিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের সক্ষমতা জোরদার করার পরিকল্পনাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পুনর্গঠনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক গোয়েন্দা কার্যক্রমের দায়িত্ব পৃথকভাবে বণ্টনের দিকে এগোচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতিতে নতুন কৌশলগত অবস্থানের প্রতিফলন হতে পারে।
















