প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির যৌথ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইরান নিজস্ব একটি পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে। তেহরানের দাবি, নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমান প্রণালির নিয়ন্ত্রণ দুই দেশের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও ইরান তা জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে যথেষ্ট মনে করেনি। ইরানের প্রস্তাবে জাহাজ চলাচলের প্রধান রুট নিজেদের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্যে রাখার পাশাপাশি বিপরীতমুখী চলাচলের একটি অংশও ইরানের তত্ত্বাবধানে রাখার কথা বলা হয়েছে।
বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনায় জাহাজ চলাচলের রুট, ব্যবহার ফি, নৌপথের নিরাপত্তা এবং মাইন অপসারণসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। একই সঙ্গে ওমান বিকল্প হিসেবে তিনটি পৃথক নৌপথের একটি নতুন প্রস্তাব বিবেচনা করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমঝোতা এখনো হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।















