বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমায় চীনের কোস্টগার্ড ও সামুদ্রিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার টহল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব কার্যক্রম ভবিষ্যতে তাইওয়ানকে ঘিরে কার্যকর সামুদ্রিক অবরোধের প্রস্তুতির অংশ হতে পারে।
বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চীনা কর্তৃপক্ষ তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলে একাধিক বিশেষ সামুদ্রিক আইন প্রয়োগ অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় বাণিজ্যিক জাহাজের গন্তব্য ও পরিচয় সম্পর্কে তথ্য চাওয়া এবং নিয়মিত টহল পরিচালনার ঘটনাও বেড়েছে, যা আগের তুলনায় নতুন কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ চীনের তথাকথিত ‘গ্রে জোন’ কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে সরাসরি সামরিক সংঘাতে না গিয়ে তাইওয়ানের ওপর ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে এ ধরনের আইন প্রয়োগ অভিযান জাহাজ তল্লাশি, চলাচলে নিয়ন্ত্রণ বা আংশিক অবরোধে রূপ নিতে পারে।
বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীন এসব কার্যক্রমকে নিজেদের সার্বভৌম অধিকার ও সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এ ধরনের টহলকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে।
















