পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল মে মাসের মাঝামাঝি নাগাদ প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। বিতর্কিত ও চ্যালেঞ্জ হওয়া ব্যালট পুনঃগণনার কারণে এ বিলম্ব হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৩ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এতে ডানপন্থী প্রার্থী কেইকো ফুজিমোরি প্রায় ১৭ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নির্বাচনী ব্যবস্থায় শীর্ষ দুই প্রার্থী দ্বিতীয় দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
দ্বিতীয় অবস্থানের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে বামপন্থী প্রার্থী রবার্তো সানচেজ এবং অতিরক্ষণশীল রাফায়েল লোপেজ আলিয়াগার মধ্যে। দুজনের ভোটের ব্যবধান খুবই কম, যা কয়েক হাজার ভোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৫ হাজারের বেশি বিতর্কিত ব্যালট যাচাই করার কারণেই ফল ঘোষণায় দেরি হচ্ছে। এর একটি অংশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং বাকি অংশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
এদিকে লোপেজ আলিয়াগা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিলম্বের তীব্র সমালোচনা করে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন, যদিও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। তিনি নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন।
অন্যদিকে সানচেজও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
দেশটিতে এবারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ৩৫ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতায় থাকা পেরুতে গত কয়েক বছরে একাধিক প্রেসিডেন্ট অভিশংসনের মুখে পড়েছেন।
ভোট গ্রহণের দিন নির্বাচনী সামগ্রী সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় রাজধানীর কিছু এলাকায় ভোটগ্রহণ সময় বাড়ানো হয়েছিল।
তবে নানা বিতর্ক সত্ত্বেও ইউরোপীয় পর্যবেক্ষক দল জানিয়েছে, নির্বাচনটি গণতান্ত্রিক মানদণ্ড পূরণ করেছে। পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনাকারী সংস্থার একটি গুদামে তল্লাশি চালিয়েছে প্রসিকিউটররা এবং কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
















