যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তার ও সামরিক পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলা, ইরান ও কিউবার পাশে চীনের অবস্থান নিয়ে এক আলোচনা সভায় তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন দিক। বক্তারা বলেছেন, এসব দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
আলোচনায় বলা হয়, ভেনেজুয়েলায় চীন দীর্ঘদিন ধরে সরকারের পাশে থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা ও কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে আসছে। দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়েও চীন আন্তর্জাতিক পরিসরে ভেনেজুয়েলার অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে এবং বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।
ইরানের ক্ষেত্রে চীনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইরানের অর্থনীতিকে সচল রাখতে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
কিউবার সঙ্গে চীনের সম্পর্কও ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়ন, ঋণ মওকুফ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহযোগিতার মাধ্যমে চীন দেশটির পাশে দাঁড়িয়েছে বলে বক্তারা জানান।
আলোচনায় আরও বলা হয়, এসব সহযোগিতা কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং বৃহত্তর আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে একটি অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
বক্তারা মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে এই ধরনের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে পারে।
















