জ্বালানি খাতের বিপর্যয় রোধে পেট্রোবাংলার গুরুত্ব ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ
বিএনপি সরকারের প্রথম চার মাসে জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার কার্যক্রমে ধীরগতি ও নীতিনির্ধারণী অবহেলা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে থাকা এবং দেড় মাস ধরে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দেশে গ্যাসের চাহিদা ৫৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যা দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
দেশীয় গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন প্রতিনিয়ত কমে আসছে এবং নতুন কূপ খনন ও অনুসন্ধান প্রকল্পগুলো দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকায় সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। গ্যাস আমদানি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বিদ্যমান অবকাঠামো ও পাইপলাইন সমস্যার কারণে দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত এবং বর্তমানে সরকারের দৃশ্যমান উদ্যোগের অভাব ২০২৭ ও ২০২৮ সালে গ্যাস সংকটকে ভয়াবহ রূপ দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন। দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং পেট্রোবাংলার সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জ্বালানি খাতের অচলাবস্থা নিরসন করা জরুরি।
















