আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কানাডায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংস্থা আইসিই-এর উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের কর্মকর্তারা সেখানে অস্ত্র বহন করেন না এবং কাউকে গ্রেপ্তারও করেন না।
কানাডার গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে আইসিই জানায়, তারা কানাডায় মূলত যৌথ তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নেয়, যেখানে মাদক, অস্ত্র চোরাচালান ও মানবপাচারের মতো অপরাধ নিয়ে কাজ করা হয়।
বিশ্বকাপের আয়োজক শহর টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারসহ কানাডার কয়েকটি শহরে আইসিই-এর অফিস রয়েছে। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, তাদের কোনো আইনগত ক্ষমতা নেই কানাডার ভূখণ্ডে অভিযান চালানো বা গ্রেপ্তার করার।
এদিকে, বিশ্বকাপ ভেন্যুগুলোতে আইসিই মোতায়েন হতে পারে—এমন আশঙ্কায় টরন্টো সিটি কাউন্সিল ইতোমধ্যে এর বিরোধিতা করে একটি প্রস্তাব পাস করেছে।
কানাডার জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, আইসিই-এর কানাডায় কোনো বিচারিক এখতিয়ার নেই।
আইসিই কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারলেও, সেই ক্ষমতা কানাডায় প্রয়োগ করা যায় না।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক আয়োজন ঘিরে নিরাপত্তা সহযোগিতা থাকলেও, সার্বভৌমত্ব ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে বিদেশি সংস্থার ভূমিকা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে।
এর আগে ইতালিতেও শীতকালীন ক্রীড়া আয়োজনের আগে আইসিই-এর উপস্থিতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছিল, যা এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের দিকটি তুলে ধরে।
















