বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নিতে অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বড় অঙ্কের ঋণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে দেশটি যে অর্থ দিচ্ছে, তার পুরোটাই অনুদান। চীনের এই মানবিক কূটনীতি দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন দিশা দেখাচ্ছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জানিয়েছে, চীনা অনুদানের বেশির ভাগ অর্থই ব্যয় হবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে। এর মধ্যে রয়েছে:
- রংপুরে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
- চট্টগ্রামে বার্ন ইউনিট নির্মাণ।
- ধামরাইয়ে টারশিয়ারি হাসপাতাল নির্মাণ।
- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে হাসপাতাল নির্মাণ।
বাংলাদেশ শুধু জমির ব্যবস্থা করবে, চীনের অনুদানে এসব হাসপাতাল নির্মিত হবে।
অনুদান ১,২১৩ কোটি টাকা, ৯০ শতাংশই স্বাস্থ্যখাতে
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্বাধীন বাংলাদেশে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চীন ১০ দশমিক ১৩ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছে। ১১ অক্টোবর ২০২৫-এর বিনিময় হার (প্রতি ডলার = ১২১ টাকা ৩৮ পয়সা) অনুসারে, বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১ হাজার ২১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। চীনা এই অনুদানের ৯০ শতাংশই মিলেছে স্বাস্থ্যখাতে।
‘বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ বার্ন ইউনিট’ প্রকল্প বাস্তবায়নসহ স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন প্রকল্পে এই অনুদান ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া আরও ৪৫ দশমিক ৫ কোটি ডলার অনুদান পাইপলাইনে রয়েছে, যা প্রকল্পের আওতায় পর্যায়ক্রমে ছাড় করা হবে। সব ছাড় হলে মোট চীনা অনুদান হবে ৫৫ দশমিক ৬৩ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়াবে ৬ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা। ইআরডি জানিয়েছে, এই অনুদানের অধিকাংশ অর্থই স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দাবি, স্বাস্থ্যখাতে চীনা অনুদানের ফলে স্বাস্থ্যসেবা খাত নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং আরও অধিক মানুষকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. শেখ সায়েদুল হক বলেন, চীন নানা খাতে বাংলাদেশকে সাহায্য করে। নতুন করে তারা সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তিনি আরও জানান যে চীন দেশের স্বাস্থ্যখাতে অনুদান দিচ্ছে এবং হাজার বেডের হাসপাতালও নির্মাণ করতে চায়। চীনা অনুদানে দেশের মানুষ আরও উন্নত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, হাসপাতালগুলোতে সঠিক জনবল নিয়োগ করতে হবে এবং এগুলো যেন সরকারি ব্যবস্থাপনায় পড়ে না থাকে। হাসপাতালের সুবিধা নির্ভর করবে পরিচালনার ওপর। পরিচালনা ঠিক হলে স্বাস্থ্যখাত উন্নত হবে এবং উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা ভারতে যেতে হবে না।
পোড়া রোগীর চিকিৎসায় ১৮০ কোটি টাকা অনুদান
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের অধীনে একটি ১৫০ শয্যার স্বতন্ত্র বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতাল নির্মাণের কাজ চলছে। ‘বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ বার্ন ইউনিট’ নামে এই প্রকল্পের জন্য চীন অনুদান হিসেবে ১৮০ কোটি টাকা দিচ্ছে। ২৮৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পের ১৯ শতাংশ কাজ গত ১০ মাসে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মেয়াদ আগামী বছরের জুন পর্যন্ত। ২০২৪ সালের মে মাসে এটি একনেক-এর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু চমেক হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২৬ শয্যার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট পর্যাপ্ত নয়। এর ফলে গুরুতর দগ্ধ রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হয়। এ কারণেই চীন এগিয়ে এসেছে।
হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস খালেদ বলেন, ২৬ শয্যার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে গড়ে ৭০ থেকে ৭৫ জন রোগী ভর্তি থাকে। প্রতিদিন অন্তত ১৫ জন দগ্ধ রোগী আসে। এখানে আইসিইউ-এর অভাব রয়েছে। নির্মাণাধীন ১৫০ শয্যার বার্ন হাসপাতালটি চালু হলে ঢাকায় রোগী পাঠানোর প্রয়োজন হবে না।
আহত-প্রতিবন্ধী রোগীদের পুনর্বাসনে অনুদান
রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের ধামরাইয়ে বিভিন্ন ধরনের আহত-প্রতিবন্ধী রোগীদের পুনর্বাসনে চীন ১০০ শয্যাবিশিষ্ট একটি রিহ্যাবিলিটেশন হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এছাড়া, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও আহতদের পুনর্বাসনে দেশের প্রথম রোবোটিক ফিজিওথেরাপি সেন্টারে চীন বিনিয়োগ করবে। এখানে ৬২টি উন্নত রোবোটিক থেরাপি ইউনিট রয়েছে, যার ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দিয়ে চালিত এবং প্রতিদিন প্রায় তিনশ রোগীকে উন্নত ফিজিওথেরাপি সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
চট্টগ্রাম-রংপুরে হাসপাতাল নির্মাণে ৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা অনুদান চাওয়া হয়েছে
বেইজিংয়ের আশ্বাসের পর সরকার দুটি বড় হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা অনুদান চেয়ে চীনের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জমা দিয়েছে। আরেকটি প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। একটি হাসপাতাল চট্টগ্রাম ও অন্যটি রংপুর বিভাগে নির্মিত হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস), পরিকল্পনা কমিশন ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্প দুটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১০৭ কোটি টাকা।
- চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় ৫০০–৭০০ শয্যার হাসপাতালটির ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ২ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে চীন ১ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- রংপুরের ১ হাজার শয্যার হাসপাতালটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা, যা পুরোটা অনুদান হিসেবে পাওয়ার কথা রয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্প দুটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রংপুর হাসপাতালের প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) এরই মধ্যে চীনে পাঠানো হয়েছে এবং চট্টগ্রামের হাসপাতালের প্রস্তাব বৈদেশিক অর্থায়নের জন্য ইআরডিতে জমা দেওয়া হয়েছে। ইআরডির একজন কর্মকর্তা জানান, আগামী মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম হাসপাতালের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুদান প্রস্তাব পাঠানো হবে।
গত ১৩ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবু জাফর জানান, নীলফামারীতে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, চট্টগ্রামে একটি জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকায় একটি পুনর্বাসন হাসপাতাল নির্মাণেও সহায়তা দেবে চীন।
চট্টগ্রাম হাসপাতাল
পিডিপিপি অনুসারে, চট্টগ্রামের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল হবে টারশিয়ারি লেভেলের বিশেষায়িত হাসপাতাল। এখানে চিকিৎসাসেবা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সমন্বয় ঘটবে। হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ, কিডনি রোগ ও সংক্রামক ব্যাধি বিভাগের পাশাপাশি আইসিইউ, এইচডিইউ, ডায়ালাইসিস ও কার্ডিয়াক কেয়ার সুবিধা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ দন্ত বিভাগ থাকবে।
হাসপাতালটিতে আধুনিক বহির্বিভাগ, সার্বক্ষণিক জরুরিসেবা, সার্জিক্যাল থিয়েটার কমপ্লেক্স এবং এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও ল্যাবরেটরি সুবিধা সম্বলিত উন্নত রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা থাকবে। জনবলের ঘাটতি মেটাতে হাসপাতালের সঙ্গে একটি নার্সিং কলেজও সংযুক্ত থাকবে। সহায়ক পরিষেবা হিসেবে থাকবে সিএসএসডি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্য রেকর্ড এবং একটি মর্গ ও ফরেনসিক ইউনিট। চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জন্য আবাসিক সুবিধাও থাকবে। এই হাসপাতালটি চট্টগ্রাম শহরের ৩২ লাখ এবং পুরো জেলার ৯০ লাখের বেশি মানুষকে সেবা দেবে।
উত্তরবঙ্গের আশীর্বাদ: চীনা অনুদানে হাজার বেডের হাসপাতাল
নীলফামারীর ১ হাজার শয্যার হাসপাতালটি তিস্তা প্রকল্পের কাছে গড়ে তোলা হবে। গত ৭ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুর রহমান জানান, চীনের অর্থায়নে উত্তরাঞ্চলে একটি মেডিকেল সিটি, দক্ষিণে একটি মহিলা হাসপাতাল ও পূর্বাঞ্চলে একটি জেরিয়াট্রিক (প্রবীণদের জন্য) হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।
নীলফামারীর হাসপাতালটি উত্তরাঞ্চলের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা দেবে, যার মধ্যে থাকবে ক্যানসার, স্নায়ুরোগ, হৃদরোগ, কিডনি রোগ এবং শিশু ও নবজাতকদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র। এখানে ২০০টি মেশিনসহ একটি বিশেষায়িত ডায়ালাইসিস কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এছাড়া সারাদেশে আরও ১ হাজার ডায়ালাইসিস মেশিন বিতরণ করা হবে। হাসপাতালটিতে মডিউলার অপারেশন থিয়েটার, জরুরি অস্ত্রোপচার কক্ষ ও পিইটি-সিটি, এমআরআই এবং মলিকিউলার ল্যাবসহ একটি ডায়াগনস্টিক ব্লক থাকবে।
পরিকল্পনা নথিতে বলা হয়েছে, এই হাসপাতালটি ঢাকার টারশিয়ারি লেভেলের হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমানো এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের দূর-দূরান্তে ভ্রমণের খরচ কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, চীনা অনুদানের টাকা কাঠামোগতভাবে, সুষ্ঠুভাবে খরচ করতে হবে। হাসপাতাল সার্ভিস যেন ভালো হয়। স্থাপনা চালু হওয়ার আগেই দক্ষ জনবল তৈরি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, চীনা অনুদান প্রোপার চ্যানেলে খরচ করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
স্বাস্থ্যখাতে সংকটের সময় পাশে থাকে চীন
বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল মামুন মৃধার দাবি, যখনই স্বাস্থ্যসহ নানান খাতে বাংলাদেশে সংকট দেখা দিয়েছে, তখনই চীন সবার আগে এগিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, চীন শর্টটার্ম ও মিডিয়াম টার্ম পদক্ষেপে সহায়তা করে আসছে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় চীন করোনা মোকাবিলায় মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ নানা ধরনের ইক্যুইপমেন্ট দিয়েছে। করোনা সংকটে চীনের বিশেষ টিম বাংলাদেশ ভিজিট করে এবং চীন থেকেই বাংলাদেশ প্রথম কোভিড ভ্যাকসিন পায়। চীনের বেশ কিছু কোম্পানি অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করেছে এবং কিছু হাসপাতালেও বিনিয়োগ করছে। চীন ইউনিয়ন, থানা ও জেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতেও অনুদান দিচ্ছে।
আল মামুন মৃধা চীনা অনুদানকে আশীর্বাদ দাবি করে বলেন, স্বাস্থ্যখাতে সব সময় দেশে চীনের বিভিন্ন রকমের কর্মসূচি চলে। তাদের অনেক অগ্রাধিকার খাতের মধ্যে স্বাস্থ্যখাত অন্যতম। তিনি বলেন, চীনা অনুদানে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন আমাদের জন্য আশীর্বাদ, এতে চিকিৎসা নিতে দেশের মানুষকে আর নানা দেশে দৌড়াদৌড়ি করা লাগবে না।
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে চীনের আরও কিছু অবদান
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যখাতে চীনের অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে:
- দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো নিয়মিতভাবে ওষুধের কাঁচামাল (এপিআই) চীন থেকে আমদানি করে।
- ব্যবসায়ীরা মেডিকেল সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতির একটি বড় অংশ চীন থেকে আমদানি করেন।
- প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী মেডিকেল শিক্ষার জন্য চীনে যান।
- বাংলাদেশ করোনার বেশি টিকা কেনে চীন থেকে।
- বাংলাদেশ থেকে কিছু নার্স ও চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসা ও জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য চীনে প্রশিক্ষণ নিতে যান।
- চীনের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ থেকে আসা রোগীদের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাঠাতে আগ্রহী।
চলতি বছরের ৮ আগস্ট দিনব্যাপী ‘নি হাও! চীন-বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা উন্নয়ন প্রদর্শনী ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীনের ১০টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল অংশ নেয়। প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও উচ্চমানের হাসপাতাল পরিষেবায় বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং তারা বাংলাদেশকে নিয়ে একটি টেকসই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়।
















