চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হিমশীতল রাতে প্রাগে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছে বার্সেলোনা। স্বাগতিক স্লাভিয়া প্রাগকে চার দুই গোলে হারিয়ে লিগ পর্বে শেষ আটে থেকে সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট পাওয়ার আশা জিইয়ে রাখল স্প্যানিশ ক্লাবটি।
বুধবার রাতে মাইনাস আট ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যে শুরু হওয়া ম্যাচে শুরুতেই চমক দেয় স্লাভিয়া প্রাগ। ম্যাচের দশম মিনিটে কর্নার থেকে টমাস হোলেসের বাড়ানো বল ভাসিল কুসেই জালে পাঠালে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
তিনচল্লিশ মিনিটের আগে বার্সেলোনা সমতায় ফেরে ফেরমিন লোপেজের গোলে। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার জোরালো শট গোলরক্ষকের হাত ফাঁকি দিয়ে জালে ঢুকে যায়। এরপর বিয়াল্লিশ মিনিটে আবারও লোপেজ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে ব্যবধান দুই এক করে বার্সেলোনা।
তবে বিরতির ঠিক আগে আত্মঘাতী গোলে আবার সমতা ফেরে। কর্নার ঠেকাতে গিয়ে রবার্ট লেভানডোভস্কির কাঁধে লেগে বল নিজের জালেই ঢুকে পড়ে। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় দুই দুই সমতায়।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। একের পর এক আক্রমণে চাপ বাড়ালেও কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে তারা। শেষ পর্যন্ত চৌষট্টি মিনিটে দানি ওলমোর দুর্দান্ত শটে আবার এগিয়ে যায় দলটি। বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া জোরালো শট গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে চলে যায়।
সত্তর মিনিটে জয়ের সিলমোহর দেন লেভানডোভস্কি। বদলি হিসেবে নামা মার্কাস রাশফোর্ড বাম দিক দিয়ে দ্রুতগতিতে উঠে এসে বল বাড়ান। প্রথম স্পর্শে বল সামলাতে না পারলেও দ্রুত প্রতিক্রিয়ায় গোল করে ব্যবধান চার দুই করেন পোলিশ স্ট্রাইকার।
এই জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতে তেরো পয়েন্ট নিয়ে তালিকার নবম স্থানে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। সমান পয়েন্ট নিয়ে আরও সাতটি দল শেষ আটে থাকার লড়াইয়ে রয়েছে। অন্যদিকে মাত্র তিন পয়েন্ট নিয়ে অবনমন অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থান করছে স্লাভিয়া প্রাগ।
ম্যাচ শেষে ফেরমিন লোপেজ বলেন, প্রচণ্ড ঠান্ডা ও প্রতিপক্ষের চাপের কারণে ম্যাচটি খুব কঠিন ছিল। তবুও দল ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পেয়েছে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, গোল ব্যবধানের বিষয়টিও মাথায় ছিল এবং সেই লক্ষ্য পূরণে জয় খুব প্রয়োজন ছিল।
















