সাফ নারী ফুটসালে সৌহার্দ্যের চিত্র; তিক্ততা কাটিয়ে হাত মেলালেন দুই দেশের অধিনায়ক
ক্রিকেট মাঠে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান চরম কূটনৈতিক ও স্নায়বিক লড়াইয়ের মধ্যেই ফুটবল অঙ্গনে দেখা গেল এক পাক্ষিক ব্যতিক্রমী ও ইতিবাচক দৃশ্য। দীর্ঘদিনের তিক্ততা আর ‘হ্যান্ডশেক’ না করার বিতর্ক পেছনে ফেলে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে একে অপরের সঙ্গে হাত মেলালেন ভারত ও পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা।
২০ জানুয়ারি ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের নুথাবারি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। গত বছর কাশ্মীরে হামলার ঘটনার পর থেকে ক্রিকেট মাঠে ভারত ও পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এমনকি এশিয়া কাপের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েও পাকিস্তানের প্রতিনিধির হাত থেকে ট্রফি নেয়নি ভারত। তবে ফুটসালের এই ম্যাচে দুই দলের অধিনায়কের হাসিমুখে হাত মেলানোর দৃশ্য ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ম্যাচ ও পরিস্থিতির বিশেষ দিকসমূহ:
- সৌহার্দ্যের শুরু: টসের পরপরই প্রথা ভেঙে দুই দলের অধিনায়ক হাত মেলান এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। ক্রিকেটের ‘হ্যান্ডশেক বিতর্ক’ এখানে দেখা যায়নি।
- মাঠের লড়াই: রোমাঞ্চকর এই ম্যাচে প্রথমার্ধে ৩-৩ গোলে সমতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভারত ৫-৩ ব্যবধানে জয়লাভ করে।
- পটভূমি: ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর থেকে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছালে ক্রিকেট মাঠে ভারত চরম অসহযোগিতা শুরু করে। ফুটসালের এই ঘটনাকে অনেকে ক্রীড়া কূটনীতির ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
সাফ নারী ফুটসাল: ভারত বনাম পাকিস্তান
| বিষয় | বিবরণ |
| ভেন্যু | নুথাবারি স্টেডিয়াম, থাইল্যান্ড। |
| ফলাফল | ভারত ৫ – ৩ পাকিস্তান। |
| ম্যাচ হাইলাইট | টসের পর দুই অধিনায়কের হ্যান্ডশেক ও শুভেচ্ছা বিনিময়। |
| তাৎপর্য | দীর্ঘ ১৩ মাস পর কোনো ক্রীড়া আসরে দুই দেশের সৌজন্য বিনিময়। |
ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, ক্রিকেটের বাইরে ফুটবলে এই ‘হ্যান্ডশেক’ দুই দেশের ক্রীড়াবিদদের মধ্যে পেশাদারিত্ব ও মানবিক সম্পর্কের জয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মাঠের বাইরে রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও সবুজ গালিচায় খেলোয়াড়দের এই আচরণ দর্শকদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
















