ব্যবসা ও পর্যটন ভিসায় নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বন্ড প্রযোজ্য
সাক্ষাৎকারের আগে কোনো অর্থ পরিশোধ না করার সতর্কতা
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা বন্ড দেওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এফ বা এম শ্রেণির ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড প্রযোজ্য নয়।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। তবে দূতাবাস স্পষ্ট করেছে, কেবলমাত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবসা বা পর্যটন ভিসার আবেদনকারীদের বন্ড পরিশোধ করতে হতে পারে।
দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সংক্রান্ত সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য জানতে দূতাবাসের নির্ধারিত তথ্যসূত্র অনুসরণ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি মার্কিন দূতাবাস জানায়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের যেসব নাগরিক ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে বি–ওয়ান বা বি–টু ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পনেরো হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দেওয়ার শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে।
তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি–ওয়ান বা বি–টু ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত কার্যকর হবে না বলেও জানানো হয়।
দূতাবাস আরও সতর্ক করে বলেছে, সাক্ষাৎকারের আগে কোনো অবস্থাতেই বন্ড পরিশোধ করা যাবে না। আগাম অর্থ পরিশোধ করলে তা ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। এ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে অর্থ লেনদেন প্রতারণামূলক হতে পারে।
দূতাবাস জানায়, সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। তবে ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে বন্ড হিসেবে জমা দেওয়া অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
















