ইসি ও ‘এস্টাবলিশমেন্ট’ দুই দলের মধ্যে নির্বাচন আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ
আগামী জাতীয় সরকারকে শেখ হাসিনার চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট ও কর্তৃত্ববাদী করে তোলার সব ধরনের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর তোপখানা রোডে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান কার্যালয়ে ‘বিভাজনের মাফিয়াতান্ত্রিক রাজনীতি, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং জনগণের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। হাসনাত কাইয়ূম বলেন, বর্তমান ‘এস্টাবলিশমেন্ট’ ও নির্বাচন কমিশন সুকৌশলে নির্বাচনকে কেবল দুটি বড় দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখছে। এর ফলে সাধারণ ভোটারদের সামনে প্রকৃত কোনো বিকল্প নেই। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এখনকার রাজনৈতিক মেরুকরণে বিএনপিকে সমর্থন করলে তাদের লুটপাট ও দখলবাজি মেনে নিতে হচ্ছে, আবার সংস্কার বা ধর্মীয় মূল্যবোধের পক্ষে ভোট দিতে চাইলে অন্য পক্ষের অতীত বিতর্ক চেপে যেতে হচ্ছে। এই দুই ধারার বাইরে উদারপন্থী বা সংস্কারপন্থী কোনো শক্তির জন্য নির্বাচন কমিশন কোনো সুযোগ রাখেনি।
সভায় হাসনাত কাইয়ূম আরও অভিযোগ করেন যে, আদালতের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন গড়িমসি করে ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন’-কে নিবন্ধন দেয়নি। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন ব্যাহত করতে চাই না বলে এতদিন কঠোর কোনো ব্যবস্থা নিইনি, কিন্তু এখন স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পুলিশ দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মনোনয়ন বাতিলের চেষ্টা চলছে। তিনি ঘোষণা দেন যে, স্বতন্ত্র প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে তারা উচ্চ আদালত পর্যন্ত যাবেন এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে প্রয়োজনে মামলা করবেন। সভায় দলের অন্যান্য নেতারাও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন এবং একটি প্রকৃত অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি জানান।
















