রাশিয়া জানিয়েছে, কিউবাকে তারা সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রাখবে। তিন মাস পর দেশটিতে প্রথমবারের মতো রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, কিউবা তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার এবং এই কঠিন সময়ে দেশটিকে ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কিউবার ওপর আরোপিত জ্বালানি অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বানও জানান। তার মতে, একটি স্বাধীন দেশের ওপর এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা অযৌক্তিক।
সম্প্রতি রাশিয়ার একটি তেলবাহী জাহাজ কিউবার মাতানজাস বন্দরে পৌঁছায়। এতে প্রায় সাত লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল, যা তিন সপ্তাহের যাত্রা শেষে সেখানে পৌঁছায়।
কিউবা দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি সংকটে ভুগছে। বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে দেশজুড়ে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে, যা হাসপাতাল, পরিবহন ও কৃষি খাতেও প্রভাব ফেলছে।
এই সংকটের পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
কিউবার জ্বালানি ও খনিজমন্ত্রী এই তেল সহায়তার জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংকটের সময় এই সহায়তা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন মানবিক কারণে এই তেলবাহী জাহাজকে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও দেশটি কিউবার ওপর জ্বালানি অবরোধ বজায় রেখেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তেল চালান কিউবার জন্য সাময়িক স্বস্তি এনে দেবে এবং কয়েকদিনের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।
রাশিয়া ও কিউবার মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই হাভানার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।
















