প্রায় চার দশক পর আবারও ফুটবল বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে ইরাক। বলিভিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করে দলটি।
এই জয়ের পর রাজধানী বাগদাদসহ বিভিন্ন শহরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। আতশবাজি, সঙ্গীত আর উল্লাসে রাস্তায় নেমে আসেন হাজারো মানুষ। অনেকেই গাড়ির ওপর উঠে জাতীয় পতাকা নাড়িয়ে উদযাপনে অংশ নেন।
ইরাক শেষবার বিশ্বকাপে খেলেছিল ১৯৮৬ সালে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই সাফল্য দেশটির মানুষের জন্য বিশেষ আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।
তবে এই আনন্দের মাঝেও দেশটি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে ইরাকও প্রভাবিত হয়েছে এবং ইতোমধ্যে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেও সমর্থকরা তাদের দলের জয়কে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখছেন। অনেকেই বলছেন, কঠিন সময়েও এই সাফল্য দেশের মানুষকে এক করেছে।
ম্যাচে ইরাকের হয়ে গোল করেন আলি আল হামাদি ও আইমেন হুসেইন। কঠিন ভ্রমণ ও প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরিয়ে দলটি এই জয় অর্জন করে।
সরকারি পর্যায় থেকেও দলকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। খেলোয়াড়দের জন্য আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং বিজয় উদযাপনে দুই দিনের ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্বকাপে ইরাক গ্রুপ আইতে ফ্রান্স, সেনেগাল ও নরওয়ের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
এই অর্জনকে অনেকেই ইরাকের ফুটবলের নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন, যা কঠিন সময়েও দেশের মানুষের মধ্যে আশা জাগিয়েছে।
















