রাশিয়া দাবি করেছে, পূর্ব ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন তাদের হাতে রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের বাহিনী লুহানস্ক অঞ্চলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই অঞ্চলটি ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকেই সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্র ছিল।
লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক মিলে ডনবাস অঞ্চল গঠিত, যা শিল্পসমৃদ্ধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর বড় অংশ আগেই রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
রাশিয়া আরও দাবি করেছে, তারা খারকিভ ও জাপোরিজিয়া অঞ্চলের কয়েকটি গ্রামও দখল করেছে।
এদিকে ক্রেমলিন আবারও ইউক্রেনকে ডনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়ার মতে, এতে যুদ্ধের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির অবসান ঘটতে পারে।
তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তারা কূটনৈতিক সমাধান চাইলেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না এবং বর্তমান সীমারেখা ধরে যুদ্ধবিরতির পক্ষে রয়েছে।
অন্যদিকে, রাতভর ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি ঘটনায় দুই নারী নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেন জানিয়েছে, রাশিয়া এক রাতে শতাধিক ড্রোন ব্যবহার করেছে। এতে দেশের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাল্টা হামলায় ইউক্রেনও রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে ড্রোন ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে, যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তদন্ত শুরু করেছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত আছে।
















