Dhaka ০৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রাম রুটে দীর্ঘকাল ধরে নিয়মিত চলাচলকারী জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর রুট বাড়িয়ে তা সরাসরি পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে পরীক্ষামূলক ও বাণিজ্যিক উভয় দিক থেকে এই নতুন রেল সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যাত্রীরা কোনো ধরনের ট্রেন পরিবর্তন করার ঝুটঝামেলা ছাড়াই সরাসরি কক্সবাজার যাতায়াত করতে পারবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ সফিকুর রহমান দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের এই বর্ধিত রুট ও নতুন সময়সূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে সমস্ত প্রশাসনিক, কারিগরি ও অপারেশনাল প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে প্রাপ্ত বিস্তারিত তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে কেবল ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের মধ্যে নিয়মিত চলাচলকারী পরিচিত এই ট্রেনটিকে দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার পর্যন্ত প্রসারিত করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে এই রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস কিংবা পর্যটক এক্সপ্রেসের মতো সম্পূর্ণ বিরতিহীন ট্রেন হিসেবে নয়, বরং এই মহানগর এক্সপ্রেসটি যাত্রাপথের বিভিন্ন নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রীদের ওঠানামার সুবিার্থে থামবে।

নতুন প্রকাশিত ও অনুমোদিত সময়সূচির বিবরণ অনুযায়ী, ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ে ঢাকা স্টেশন ছেড়ে পরদিন সকালে সরাসরি কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে পৌঁছাবে। অপরদিকে ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রে ৭২১ নম্বর ট্রেনটি সকালের দিকে কক্সবাজার থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথমে চট্টগ্রাম হয়ে পরবর্তীতে নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী সন্ধ্যার সময় ঢাকায় এসে নিজের যাত্রা শেষ করবে।

যাত্রাপথে এই মহানগর এক্সপ্রেসটি নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী ও আখাউড়া এলাকাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নির্ধারিত রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি প্রদান করবে। এর ফলে উক্ত অঞ্চলসমূহের সাধারণ মানুষ ও ভ্রমণপিপাসুরা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদে এবং সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণের দারুণ সুযোগ লাভ করবেন। ট্রেনটিতে সাধারণ যাত্রীদের উন্নত ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুবিধার্থে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার), এসি সিট এবং এসি বার্থ শ্রেণifier আধুনিক আসনব্যবস্থা বহাল রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাজধানী ঢাকা ও কক্সবাজার রুটে নিয়মিতভাবে আধুনিক কক্সবাজার এক্সপ্রেস এবং পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি সুনামের সাথে চলাচল করছে। এর পাশাপাশি বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেনগুলোও নিয়মিত যাত্রীসেবা দিয়ে যাচ্ছে। রেলওয়ের এই নতুন সংযোজন দেশের পর্যটন খাত ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী ও ইতিবাচক মাইলফলক স্থাপন করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রাম রুটে দীর্ঘকাল ধরে নিয়মিত চলাচলকারী জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর রুট বাড়িয়ে তা সরাসরি পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে পরীক্ষামূলক ও বাণিজ্যিক উভয় দিক থেকে এই নতুন রেল সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যাত্রীরা কোনো ধরনের ট্রেন পরিবর্তন করার ঝুটঝামেলা ছাড়াই সরাসরি কক্সবাজার যাতায়াত করতে পারবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ সফিকুর রহমান দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের এই বর্ধিত রুট ও নতুন সময়সূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে সমস্ত প্রশাসনিক, কারিগরি ও অপারেশনাল প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে প্রাপ্ত বিস্তারিত তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে কেবল ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের মধ্যে নিয়মিত চলাচলকারী পরিচিত এই ট্রেনটিকে দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার পর্যন্ত প্রসারিত করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে এই রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস কিংবা পর্যটক এক্সপ্রেসের মতো সম্পূর্ণ বিরতিহীন ট্রেন হিসেবে নয়, বরং এই মহানগর এক্সপ্রেসটি যাত্রাপথের বিভিন্ন নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রীদের ওঠানামার সুবিার্থে থামবে।

নতুন প্রকাশিত ও অনুমোদিত সময়সূচির বিবরণ অনুযায়ী, ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ে ঢাকা স্টেশন ছেড়ে পরদিন সকালে সরাসরি কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে পৌঁছাবে। অপরদিকে ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রে ৭২১ নম্বর ট্রেনটি সকালের দিকে কক্সবাজার থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথমে চট্টগ্রাম হয়ে পরবর্তীতে নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী সন্ধ্যার সময় ঢাকায় এসে নিজের যাত্রা শেষ করবে।

যাত্রাপথে এই মহানগর এক্সপ্রেসটি নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী ও আখাউড়া এলাকাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নির্ধারিত রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি প্রদান করবে। এর ফলে উক্ত অঞ্চলসমূহের সাধারণ মানুষ ও ভ্রমণপিপাসুরা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদে এবং সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণের দারুণ সুযোগ লাভ করবেন। ট্রেনটিতে সাধারণ যাত্রীদের উন্নত ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুবিধার্থে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার), এসি সিট এবং এসি বার্থ শ্রেণifier আধুনিক আসনব্যবস্থা বহাল রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে রাজধানী ঢাকা ও কক্সবাজার রুটে নিয়মিতভাবে আধুনিক কক্সবাজার এক্সপ্রেস এবং পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি সুনামের সাথে চলাচল করছে। এর পাশাপাশি বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেনগুলোও নিয়মিত যাত্রীসেবা দিয়ে যাচ্ছে। রেলওয়ের এই নতুন সংযোজন দেশের পর্যটন খাত ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী ও ইতিবাচক মাইলফলক স্থাপন করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে।