ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য তিন দলীয় জোটের
জোটের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সহিংসতা ও সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে নির্বাচন বাধাগ্রস্তের অপচেষ্টা চলছে; প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।
ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা শরীফ ওসমান হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় নির্বাচন বানচালের একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে তিন দলীয় গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এ অভিযোগ তোলেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, তফসিল ঘোষণার পরপরই “ফ্যাসিবাদের দোসরেরা” নির্বাচনী প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার লক্ষ্যে সহিংসতায় জড়িয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় জুমার নামাজের পর শরীফ ওসমান হাদীর ওপর হত্যাচেষ্টায় গুলি চালানো হয়। হামলার পর হাদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে উল্লেখ করেন তারা। রাজনৈতিক বিরোধী মত দমনে সহিংসতা কোনো সভ্য গণতান্ত্রিক সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন নেতারা।
নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, এই হামলা দেশের গণতন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি। তারা বলেন, সরকারের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়ায় সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং নির্বাচন কমিশনও সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের সক্ষমতা প্রমাণে ব্যর্থ হচ্ছে। তাদের দাবি, সন্ত্রাসীদের পেছনে থাকা শক্তিশালী গডফাদারদের কারণে এ ধরনের হামলা অব্যাহত রয়েছে।
বিবৃতিতে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে তারা বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব প্রার্থীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। প্রার্থীদের অবাধ চলাচল ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয় বলেও সতর্ক করেন তারা।
















