আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে স্থানীয় আইনসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে কয়েক ডজন মানুষের প্রাণহানির পর তিন ধাপে নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৮ লাখ ভোটার এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে ইন্টারনেট ও মোবাইল সেবা স্থগিত থাকায় প্রচারণা ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন প্রার্থী। মিরপুর জেলায় প্রথম দফার ভোটে উপস্থিতিও তুলনামূলক কম ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জুনের শুরু থেকে নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলনে প্রায় ৪০ জন নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটিকে স্থানীয় সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করেছে এবং সংগঠনটির অনেক নেতা গ্রেপ্তার বা আত্মগোপনে রয়েছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্দোলনকারীরা ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে অভিযোগ করেছেন, কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন স্থানীয় পার্লামেন্টের ভারসাম্য প্রভাবিত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যদিকে নির্বাচন কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ভোটগ্রহণ তিন ধাপে আয়োজন করা হয়েছে।
















