ইউরেশিয়া রিভিউতে প্রকাশিত এএনবাউন্ডের বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে এই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গৃহস্থালি পণ্য, আবাসন-সংশ্লিষ্ট খাত ও গাড়ির মতো প্রচলিত ভোগ্যপণ্যের চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, কেবল ভর্তুকি বা মূল্যছাড়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে ভোগব্যয় বাড়ানো সম্ভব নয়; বরং আয় বৃদ্ধি, নতুন ধরনের পণ্যের চাহিদা সৃষ্টি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন।
এএনবাউন্ডের বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে চীনের ভোগব্যয় বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা সেবাখাতে রয়েছে। প্রবীণ পরিচর্যা, শিশুসেবা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন ও ক্রীড়ার মতো খাতকে নতুন প্রবৃদ্ধির প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সেবাও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব মূল্যায়ন বিশ্লেষকদের মতামতের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। তাদের মতে, চীনের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে শুধু ভোগব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নয়, বরং আয়, সামাজিক নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই অভ্যন্তরীণ চাহিদা সৃষ্টি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে।















