তুরস্কে পেশাদার লিগে বিস্তৃত বেটিং তদন্তের অংশ হিসেবে সুপার লিগের দুই তারকা ফুটবলার মেতেহান বালতাচি ও মের্ত হাকান ইয়ানদাশসহ মোট ২০ জনকে আদালত বিচারাধীন অবস্থায় কারাগারে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু।
গত সপ্তাহে প্রসিকিউটররা দেশজুড়ে বেটিং জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেন। তালিকায় ছিলেন ফুটবলার, ক্লাব সভাপতি, ধারাভাষ্যকার ও এক রেফারি—যারা অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবহার করে ম্যাচ বেটিংয়ে যুক্ত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত।
আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে গালাতাসারাইয়ের মেতেহান বালতাচি, ফেনারবাহচের মের্ত হাকান ইয়ানদাশ এবং আদানা দেমিরস্পোরের সাবেক সভাপতি মুরাত সানচাককে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বালতাচি আদালতে বলেন, তরুণ দলে থাকাকালে কয়েকটি ম্যাচে তিনি বেট করেছিলেন, তবে গালাতাসারাইয়ের মূল দলে যোগ দেওয়ার পর আর কখনও তা করেননি। অন্যদিকে, ইয়ানদাশ আদালতে কোনো ম্যাচে বেট করার অভিযোগ অস্বীকার করেন বলে সাভাব পত্রিকা জানিয়েছে। সানচাকও দাবি করেন, তার কোনো বেটিং অ্যাকাউন্ট নেই এবং তিনি কখনও ম্যাচে বাজি ধরেননি।
এই তিনজন বা তাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তুরস্কের ফুটবল দুনিয়ায় এই কেলেঙ্কারি সম্প্রতি আরও বড় আকার ধারণ করেছে। গত মাসে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন (টিএফএফ) তদন্তে প্রমাণ পাওয়ার পর ১৪৯ রেফারি ও সহকারী রেফারিকে সাময়িক বরখাস্ত করে। পরবর্তীতে এক প্রিমিয়ার ক্লাব সভাপতিসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং টিএফএফ বিভিন্ন লিগে মোট ১,০২৪ খেলোয়াড়কে স্থগিতাদেশ দেয়।
মামলার শুনানির তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।
ফেনারবাহচের ইয়ানদাশ ও গালাতাসারাইয়ের বালতাচি—তুর্কি ফুটবলে আলোচিত এই দুই নামের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বেটিং তদন্ত আরও ব্যাপক রূপ ধারণ করেছে।
















