Dhaka ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন কর্মীদের চাকরিচ্যুতির অভিযোগ: মাইক্রোসফটসহ আট কোম্পানির ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

বিদেশি কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে মার্কিন কর্মীদের চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে মাইক্রোসফটসহ আটটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নতুন ও বিচারাধীন স্থায়ী নিয়োগসংক্রান্ত আবেদন অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার করে আমেরিকান কর্মীদের বাদ দিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে। তার এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। ভ্যান্সের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি একই সময়ে প্রায় ছয় হাজার কর্মী ছাঁটাই করলেও ৬ হাজার ৮০০টি এইচ-১বি ভিসার আবেদন করেছে। এর মাধ্যমে মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগ এবং তাদের মজুরি কমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, আমেরিকার অন্য কোনো কোম্পানি মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করেনি। মাইক্রোসফট ছাড়াও অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল ও ক্যাপজেমিনির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি এই মার্কিন কর্মকর্তা।

শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং জানান, মাইক্রোসফটসহ আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন বা বিচারাধীন পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন (পার্ম) আবেদন সরকার অনুমোদন করবে না। তার অভিযোগ, মাইক্রোসফটের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত ‘ভিসা তৈরির কারখানায়’ পরিণত হয়েছে এবং তারা বিদেশি কর্মী দিয়ে দেশটিকে ভাসিয়ে দিচ্ছে।

এদিকে মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহারের যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়। কোম্পানির এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের অধিকাংশ কর্মীই আমেরিকান। গত অর্থবছরে দাখিল করা এইচ-১বি ভিসার আবেদনের ৮০ শতাংশই ছিল আগে থেকে কর্মরত কর্মীদের জন্য এবং এগুলো নতুন কর্মী নিয়োগের আবেদন ছিল না। এছাড়া এই কর্মসূচির আওতায় নিয়োগ পাওয়া আন্তর্জাতিক কর্মীদের মার্কিন কর্মীদের সমপরিমাণ পারিশ্রমিক দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন কর্মীদের চাকরিচ্যুতির অভিযোগ: মাইক্রোসফটসহ আট কোম্পানির ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বিদেশি কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে মার্কিন কর্মীদের চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে মাইক্রোসফটসহ আটটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নতুন ও বিচারাধীন স্থায়ী নিয়োগসংক্রান্ত আবেদন অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার করে আমেরিকান কর্মীদের বাদ দিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে। তার এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। ভ্যান্সের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি একই সময়ে প্রায় ছয় হাজার কর্মী ছাঁটাই করলেও ৬ হাজার ৮০০টি এইচ-১বি ভিসার আবেদন করেছে। এর মাধ্যমে মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগ এবং তাদের মজুরি কমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, আমেরিকার অন্য কোনো কোম্পানি মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করেনি। মাইক্রোসফট ছাড়াও অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল ও ক্যাপজেমিনির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি এই মার্কিন কর্মকর্তা।

শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং জানান, মাইক্রোসফটসহ আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন বা বিচারাধীন পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন (পার্ম) আবেদন সরকার অনুমোদন করবে না। তার অভিযোগ, মাইক্রোসফটের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত ‘ভিসা তৈরির কারখানায়’ পরিণত হয়েছে এবং তারা বিদেশি কর্মী দিয়ে দেশটিকে ভাসিয়ে দিচ্ছে।

এদিকে মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহারের যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়। কোম্পানির এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের অধিকাংশ কর্মীই আমেরিকান। গত অর্থবছরে দাখিল করা এইচ-১বি ভিসার আবেদনের ৮০ শতাংশই ছিল আগে থেকে কর্মরত কর্মীদের জন্য এবং এগুলো নতুন কর্মী নিয়োগের আবেদন ছিল না। এছাড়া এই কর্মসূচির আওতায় নিয়োগ পাওয়া আন্তর্জাতিক কর্মীদের মার্কিন কর্মীদের সমপরিমাণ পারিশ্রমিক দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।