, ,,
সত্য প্রকাশে সবসময়
Advertisement
  • মূলপাতা
    আ. লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস আলম

    আ. লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস আলম

    বিচার-সংস্কারের প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    বিচার-সংস্কারের প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি: সরোয়ার তুষার

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি: সরোয়ার তুষার

    গ্যাসসংকটে বন্ধ হচ্ছে কারখানা

    গ্যাসসংকটে বন্ধ হচ্ছে কারখানা

    বাংলাদেশের জন্য ট্রাম্পের দশ শতাংশ শুল্কের প্রভাব কতটুকু?

    বাংলাদেশের জন্য ট্রাম্পের দশ শতাংশ শুল্কের প্রভাব কতটুকু?

    ঢাকায় রথযাত্রার শোভাযাত্রার পথে বিস্ফোরক উদ্ধারের দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

    ঢাকায় রথযাত্রার শোভাযাত্রার পথে বিস্ফোরক উদ্ধারের দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

    রাজবাড়ীতে মারামারির ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ

    রাজবাড়ীতে মারামারির ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ

    নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সময় নিচ্ছে সরকার, আলোচনায় মির্জা ফখরুলসহ কয়েকটি নাম

    নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সময় নিচ্ছে সরকার, আলোচনায় মির্জা ফখরুলসহ কয়েকটি নাম

    তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব

    তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
    আ. লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস আলম

    আ. লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস আলম

    বিচার-সংস্কারের প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    বিচার-সংস্কারের প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি: সরোয়ার তুষার

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি: সরোয়ার তুষার

    গ্যাসসংকটে বন্ধ হচ্ছে কারখানা

    গ্যাসসংকটে বন্ধ হচ্ছে কারখানা

    বাংলাদেশের জন্য ট্রাম্পের দশ শতাংশ শুল্কের প্রভাব কতটুকু?

    বাংলাদেশের জন্য ট্রাম্পের দশ শতাংশ শুল্কের প্রভাব কতটুকু?

    ঢাকায় রথযাত্রার শোভাযাত্রার পথে বিস্ফোরক উদ্ধারের দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

    ঢাকায় রথযাত্রার শোভাযাত্রার পথে বিস্ফোরক উদ্ধারের দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

    রাজবাড়ীতে মারামারির ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ

    রাজবাড়ীতে মারামারির ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ

    নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সময় নিচ্ছে সরকার, আলোচনায় মির্জা ফখরুলসহ কয়েকটি নাম

    নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সময় নিচ্ছে সরকার, আলোচনায় মির্জা ফখরুলসহ কয়েকটি নাম

    তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব

    তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
সত্য প্রকাশে সবসময়
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

বাংলাদেশের জন্য ট্রাম্পের দশ শতাংশ শুল্কের প্রভাব কতটুকু?

TR-C2 /Tuhin by TR-C2 /Tuhin
July 26, 2026
in দেশীয় সংবাদ
0
বাংলাদেশের জন্য ট্রাম্পের দশ শতাংশ শুল্কের প্রভাব কতটুকু?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য আবারও একটি বড় সতর্কবার্তা। বাংলাদেশসহ ৬০টি অর্থনীতির ওপর ১০ শতাংশ ও ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত শুধু একটি বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নয়; এটি বৈশ্বিক সরবরাহ-শৃঙ্খলা, শ্রম অধিকার, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কূটনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বাংলাদেশের জন্য এই সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক প্রভাব আপাতদৃষ্টিতে সীমিত। কারণ বাংলাদেশ ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা বা সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেশগুলোর নীতিগত অবস্থান ও বাস্তব প্রয়োগ বিবেচনা করে শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছে। 

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হার নির্ধারিত হয়েছে।বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান গড় শুল্কের সঙ্গে এই অতিরিক্ত শুল্ক যুক্ত হবে। ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশমূল্য বাড়বে। কিন্তু একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী কয়েকটি দেশও একই বা কাছাকাছি শুল্কহারের আওতায় রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তাৎক্ষণিকভাবে ধসে পড়ার আশঙ্কা নেই।

তবে এখানেই আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। কারণ শুল্কের বাস্তব প্রভাব শুধু একটি সংখ্যায় নির্ধারিত হয় না। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে ক্রেতাদের আচরণ, সরবরাহ-শৃঙ্খলার পরিবর্তন, উৎপাদন ব্যয়, অর্ডারের পরিমাণ, পণ্যের মূল্য এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থার প্রশ্ন।

যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তি হলো, জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য বৈশ্বিক বাণিজ্যে অন্যায্য প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে। যে দেশ শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত না করে কম খরচে পণ্য উৎপাদন করে, সে দেশ ন্যায্য শ্রমব্যবস্থা অনুসরণকারী দেশের তুলনায় সুবিধা পায়। ওয়াশিংটনের দাবি, এই ধরনের বাণিজ্য বিকৃতি বন্ধ করতেই নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নীতিগতভাবে এই যুক্তির গুরুত্ব রয়েছে। শ্রমিকের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং জোরপূর্বক শ্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান কোনো দেশের ওপর বিদেশি চাপের বিষয় হওয়া উচিত নয়; এটি মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

কিন্তু একই সঙ্গে প্রশ্নও উঠছে—মানবাধিকারের যুক্তি কি বাণিজ্যিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হয়ে উঠছে? যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামো নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলেছেন যে, শ্রম অধিকারকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক শাস্তির ব্যবস্থা ট্রাম্প প্রশাসনের বৃহত্তর সুরক্ষাবাদী নীতির অংশ হয়ে উঠছে কি না।
বাংলাদেশের জন্য এই বিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শ্রম অধিকার আর কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় থাকবে না। এটি সরাসরি রপ্তানি প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে উঠবে।

বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি তৈরি পোশাক খাত। যুক্তরাষ্ট্র এই খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার। ফলে মার্কিন শুল্কনীতির যেকোনো পরিবর্তন বাংলাদেশের শিল্প, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা আয় এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। নতুন ১০ শতাংশ শুল্কের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, এর বোঝা শেষ পর্যন্ত কে বহন করবে। মার্কিন আমদানি-কারকরা কি অতিরিক্ত শুল্ক নিজেরা বহন করবেন? নাকি তারা বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে পণ্যের দাম কমানোর দাবি করবেন? নাকি শেষ পর্যন্ত মার্কিন ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপবে?

বাস্তবে এই বোঝা অনেক সময় তিন পক্ষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশের মতো তুলনামূলক কম মুনাফার রপ্তানি অর্থনীতির জন্য এটি একটি গুরুতর বিষয়। রপ্তানিকারকরা যদি ক্রেতাদের কাছ থেকে মূল্যচাপের মুখে পড়েন, তাহলে উৎপাদন ব্যয় কমানোর চাপ তৈরি হতে পারে। আর সেই চাপ যদি শ্রমিকের মজুরি, কর্মপরিবেশ বা শিল্পের স্থিতিশীলতার ওপর পড়ে, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।

অতএব, বাংলাদেশের জন্য শুধু শুল্কহার নয়—শুল্কের অর্থনৈতিক বোঝা কীভাবে বণ্টিত হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিক হলো, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কাঠামোতে দেশটি ১০ শতাংশ হারের নিম্নস্তরের দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিকারক দেশের ওপরও ১০ শতাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।ফলে বাংলাদেশ একতরফাভাবে বড় কোনো প্রতিযোগিতামূলক অসুবিধায় পড়েনি।

এমনকি মার্কিন তুলা ও টেক্সটাইল ইনপুট ব্যবহারকারী কিছু দেশের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ রপ্তানিতে কম শুল্কের সুযোগ তৈরির প্রস্তাবও যুক্তরাষ্ট্রের কাঠামোয় রয়েছে। এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে বাংলাদেশ তার পোশাক খাতে মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কিছু সুবিধা আদায় করতে পারে।

এখানে বাংলাদেশের বাণিজ্য কূটনীতির বড় সুযোগ রয়েছে। শুধু শুল্ক কমানোর দাবি না করে বাংলাদেশকে দেখাতে হবে—যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য কীভাবে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করা যায়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, কৃষিপণ্য, শিল্পের কাঁচামাল ও অন্যান্য পণ্য আমদানির সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতার একটি বাস্তবসম্মত সমন্বয় তৈরি করা যেতে পারে।

বর্তমান ১০ শতাংশ শুল্কের চেয়ে বাংলাদেশের জন্য বড় উদ্বেগ হলো ভবিষ্যতের সম্ভাব্য তদন্ত ও নতুন নীতিগত পদক্ষেপ। ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্যনীতি অত্যন্ত দ্রুত পরিবর্তনশীল। কখনো শুল্ক, কখনো তদন্ত, কখনো পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি—সবকিছুই বাণিজ্যনীতির অংশ হয়ে উঠছে। ফলে আজকের শুল্কহার আগামীকাল একই থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বাংলাদেশকে তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। 

জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ মোকাবিলায় কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য যথেষ্ট নয়। দেশের শ্রম আইন, শ্রম পরিদর্শন ব্যবস্থা, সরবরাহ-শৃঙ্খলার তথ্য, কারখানার রেকর্ড এবং শ্রমিক অধিকার বাস্তবায়নের তথ্য আন্তর্জাতিক মানে উপস্থাপন করতে হবে।কারণ ভবিষ্যতের বিশ্ব বাণিজ্যে ‘আমরা অভিযোগ অস্বীকার করছি’—এটি যথেষ্ট হবে না। প্রমাণ করতে হবে, উৎপাদন ব্যবস্থা স্বচ্ছ, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষিত এবং পণ্যের সরবরাহ-শৃঙ্খলা জবাবদিহিমূলক।

বাংলাদেশে প্রায়ই কোনো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে তাৎক্ষণিক বড় ক্ষতি না হলে আমরা স্বস্তি নিয়ে বসে থাকি। কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতি এখন এমন এক সময়ে প্রবেশ করেছে, যেখানে বাজারের নিয়ম দ্রুত বদলাচ্ছে।

আজ শ্রম অধিকার। আগামীকাল কার্বন নিঃসরণ। পরদিন পরিবেশগত মান। এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা, সরবরাহ-শৃঙ্খলা এবং পণ্যের উৎসের স্বচ্ছতা—সবকিছুই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের শর্ত হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে এই বাস্তবতা বুঝতে হবে।শুধু সস্তা শ্রমের ওপর নির্ভর করে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকা সম্ভব হবে না। উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে, শ্রমিকের দক্ষতা উন্নত করতে হবে এবং উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনে যেতে হবে।

একই সঙ্গে রপ্তানি বাজারেও বৈচিত্র্য আনতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ বাজার হলেও একমাত্র বাজার নয়। ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে সরকারের প্রথম দায়িত্ব হলো তথ্যভিত্তিক কূটনীতি। বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনায় থাকতে হবে। শুধু শুল্ক কমানোর দাবি নয়, শ্রম অধিকার ও বাণিজ্য ব্যবস্থার বাস্তব সংস্কার নিয়ে একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা যেতে পারে।

দ্বিতীয়ত, দেশের শ্রম আইন ও তার প্রয়োগে যেখানে দুর্বলতা আছে, তা দূর করতে হবে। তৃতীয়ত, রপ্তানিকারকদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিধি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। চতুর্থত, কোনো একটি বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে হবে। পঞ্চমত, রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে। 

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—শ্রম অধিকারকে শুধু বিদেশি চাপ হিসেবে দেখা যাবে না। একজন শ্রমিকের নিরাপত্তা, ন্যায্য মজুরি এবং মর্যাদা নিশ্চিত করা দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতারও অংশ।বাংলাদেশের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের ১০ শতাংশ শুল্কের তাৎক্ষণিক প্রভাব হয়তো নিয়ন্ত্রণযোগ্য।প্রতিযোগী দেশগুলোর অনেকেই কাছাকাছি হারের শুল্কের আওতায় থাকায় বাংলাদেশের বাজার-প্রতিযোগিতা একেবারে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা নেই।
কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নির্ভর করবে বাংলাদেশ কত দ্রুত পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে তার ওপর।

শুল্কের এই নতুন বাস্তবতা বাংলাদেশের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এটি বলছে—আগামী দিনের আন্তর্জাতিক বাজারে শুধু পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না; সেই পণ্য কীভাবে উৎপাদিত হয়েছে, শ্রমিকের অধিকার কীভাবে রক্ষা করা হয়েছে এবং সরবরাহ-শৃঙ্খলা কতটা স্বচ্ছ—এসব প্রশ্নের উত্তরও দিতে হবে।
ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ক তাই বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি অর্থনৈতিক চাপ নয়; এটি একটি নীতিগত পরীক্ষা।

বাংলাদেশ যদি এই পরীক্ষাকে কেবল শুল্কের হিসাব হিসেবে দেখে, তাহলে বড় সুযোগ হাতছাড়া হবে। আর যদি এটিকে শ্রম অধিকার, শিল্প সংস্কার, বাণিজ্য কূটনীতি ও রপ্তানি বৈচিত্র্যের বৃহত্তর সংস্কারের সূচনা হিসেবে গ্রহণ করে, তাহলে এই সংকটই বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিতে পারে।

শেষ কথা হলো—বিশ্ব বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, কিন্তু বাংলাদেশের প্রস্তুতি অনিশ্চিত থাকা চলবে না। ১০ শতাংশ শুল্ক হয়তো আজকের সমস্যা। কিন্তু আগামী দিনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য বাংলাদেশকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আমরা কি শুধু কম দামে পণ্য বিক্রি করব, নাকি মান, অধিকার, স্বচ্ছতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্ববাজারে নিজেদের নতুন পরিচয় তৈরি করব?

Previous Post

তিউনিসিয়ায় জরুরি শাসনের পাঁচ বছর পূর্তিতে প্রেসিডেন্ট সাইদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

Next Post

ভারতে বাংলাদেশি দম্পতিকে মারধর, চিকিৎসক গ্রেপ্তার

TR-C2 /Tuhin

TR-C2 /Tuhin

Related Posts

আ. লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস আলম
দেশীয় সংবাদ

আ. লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস আলম

July 26, 2026
0
বিচার-সংস্কারের প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
দেশীয় সংবাদ

বিচার-সংস্কারের প্রশ্নে এনসিপি কোনো আপস করবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

July 26, 2026
0
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি: সরোয়ার তুষার
দেশীয় সংবাদ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি: সরোয়ার তুষার

July 26, 2026
0
গ্যাসসংকটে বন্ধ হচ্ছে কারখানা
দেশীয় সংবাদ

গ্যাসসংকটে বন্ধ হচ্ছে কারখানা

July 26, 2026
0
ঢাকায় রথযাত্রার শোভাযাত্রার পথে বিস্ফোরক উদ্ধারের দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের
দেশীয় সংবাদ

ঢাকায় রথযাত্রার শোভাযাত্রার পথে বিস্ফোরক উদ্ধারের দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

July 26, 2026
0
রাজবাড়ীতে মারামারির ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ
দেশীয় সংবাদ

রাজবাড়ীতে মারামারির ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ

July 26, 2026
0
Next Post
ভারতে বাংলাদেশি দম্পতিকে মারধর, চিকিৎসক গ্রেপ্তার

ভারতে বাংলাদেশি দম্পতিকে মারধর, চিকিৎসক গ্রেপ্তার

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে, মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১,৩০০
  • আ. লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে: সারজিস আলম
  • পশ্চিম তীরের একটি বিদ্যালয় নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রে ফিলিস্তিনি শিশুদের জীবনসংগ্রাম উঠে এসেছে
  • ভারতের জেন জি প্রজন্ম রাজনৈতিক জবাবদিহির ধারণায় নতুন বার্তা দিয়েছে—মতামত
  • হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হতে পারে—মতামত

Recent Comments

No comments to show.

Archives

  • July 2026
  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

Browse by Category

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
  • About Us
  • Archives
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Home 1
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

© 2025

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

© 2025