জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বিশেষ কারণে ১৭তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে বৃহস্পতিবার। মামলার অগ্রগতি জানুন।
বিশেষ কারণে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি—৩০ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ট্রাইব্যুনাল নতুন তারিখ ঠিক করল
২৫ নভেম্বর ২০২৫:
জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ ১৭তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও, বিশেষ কারণে তা হয়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দিন ধার্য করেছে।
ট্রাইব্যুনাল-২–এর অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত নেয়। অপর সদস্য ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আজ তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল
প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ অনুসন্ধান কর্মকর্তার জবানবন্দি নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন মিজানুল ইসলাম, ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ আরও অনেকে।
গ্রেপ্তার ছয় আসামি আদালতে হাজির
সকালে প্রিজনভ্যানে ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়—
- এএসআই আমির হোসেন
- বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম
- কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়
- ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী
- রাফিউল হাসান রাসেল
- আনোয়ার পারভেজ
বাকিদের মধ্যে ২৪ জন এখনও পলাতক।
অগ্রগতি: ধারাবাহিক সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে
গত কয়েক সপ্তাহে প্রত্যক্ষদর্শী, আহত শিক্ষার্থী, পুলিশ সদস্য এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের জবানবন্দি গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল। আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে আগস্টে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে উসকানি, ষড়যন্ত্র ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় মোট সাক্ষী ৬২ জন।
















