মানিকগঞ্জে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দোষীদের শাস্তি ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। দলটি সহিংসতার পরিবর্তে সম্প্রীতি, সংলাপ ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার আহ্বান জানায়।
মানিকগঞ্জের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান—ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহিংসতাবিরোধী অবস্থান পুনর্ব্যক্ত
২৫ নভেম্বর ২০২৫ :
মানিকগঞ্জে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, কোনো মতবিরোধ বা অভিযোগ থাকলেও সহিংসতার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই; হামলাকারী ও উসকানিদাতাদের আইনের আওতায় আনতেই হবে।
সোমবার এনসিপির ধর্ম ও সম্প্রীতি সেলের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে বাউল, ফকির, সুফি ও তাসাওফপন্থিদের অবদান অনস্বীকার্য। এই বৈচিত্র্য রক্ষা করা মানে দেশের মানবিক রাষ্ট্রচিন্তা ও সম্প্রীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
“ভিন্নমত থাকবে, কিন্তু সহিংসতা নয়”
এনসিপি জানায়, ধর্মীয় ব্যাখ্যা বা মতভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক; তবে সেই ভিন্নতার সমাধান সহিংসতা বা প্রতিশোধ হতে পারে না। দেশের দায়িত্বশীল আলেমসমাজ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ দাওয়াত ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে সমাজে ভারসাম্য রক্ষা করে এসেছে—এ ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও আইনি সমাধানের আহ্বান
বিবৃতিতে এনসিপি বলেছে, অভিযোগ বা মতভিন্নতার সমাধান হবে আইন, ন্যায়বিচার ও শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে—কোনোভাবেই কোনো গোষ্ঠী বা জনতার হাতে বিচার ছেড়ে দেওয়া যায় না।
বাউল, ফকির ও তাসাওফপন্থিসহ সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করার আহ্বানও জানায় দলটি।
এনসিপি শেষবারের মতো উসকানি, বিভাজন ও সহিংসতার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে—সম্প্রীতি, সংযম ও পারস্পরিক সম্মান প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও নাগরিক সমাজকে সামনে আসার আহ্বান জানায়।
















