জুলাই আন্দোলনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা জানতে চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যাখ্যা চেয়েছে হাইকোর্ট।
২৩ নভেম্বর ২০২৫, ঢাকা:
জুলাই আন্দোলনের সময় বিরোধিতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শিক্ষা ক্যাডারের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এই রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন, আর রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল কবির।
রিটটি দাখিল করা হয় একটি জাতীয় দৈনিকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, জুলাই আন্দোলনের সময় কিছু শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ছাত্রদের প্রতিহত করতে সক্রিয় ভূমিকা নেন এবং দলীয় কর্মসূচিতে যুক্ত ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রত্যাশিত ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা পরবর্তীকালে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া প্রতিবেদনে শিক্ষা খাতে দলীয় প্রভাব, পদায়ন–পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিত নিয়োগ প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়। রিটকারীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এসব অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
হাইকোর্টের রুল জারির পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওপর বিষয়টি তদন্ত ও ব্যাখ্যা প্রদানের দায়িত্ব বর্তায়।
















