মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর পাঁচ পৃষ্ঠার বিবৃতিতে হাসিনার দাবি—তাকে শাস্তি দিয়ে আওয়ামী লীগকে নিস্ক্রিয় করতে চাইছে অন্তর্বর্তী সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যায়িত করলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাঁচ পৃষ্ঠার বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বিচারকে দেখে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
ঢাকা –
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রায়টিকে “পক্ষপাতদুষ্ট, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রহসন” বলে কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। সোমবার বিকেলে প্রকাশিত পাঁচ পৃষ্ঠার লিখিত বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হলো আওয়ামী লীগকে নিস্ক্রিয় করা এবং তার মৃত্যুদণ্ড তারই অংশ।
হাসিনা অভিযোগ করেন, ন্যায্য বিচার ও অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ তাকে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “একটি নিরপেক্ষ ট্রাইব্যুনাল হলে আমি অভিযোগকারীদের মুখোমুখি হতে ভয় পাই না।” তিনি আরও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন—সরকার চাইলে এই অভিযোগ নিয়ে হেগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (ICC) যেতে পারে।
হাসিনা তার বিবৃতিতে নিজের “মানবাধিকার ও উন্নয়নমূলক রেকর্ড” নিয়ে গর্বের কথা উল্লেখ করেন এবং সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এর আগে সোমবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই মামলায় দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়কে সামনে রেখে ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
















