ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে সংলাপে সিইসি সতর্ক করলেন—দলগুলো সহযোগিতা না করলে নির্বাচন ঝুঁকিতে পড়বে; আচরণবিধি ভঙ্গ করলে বাতিল হবে প্রার্থিতা। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংলাপে কমিশনের প্রস্তুতি, কঠোর আচরণবিধি, ডিপফেক–মনিটরিং এবং পোস্টার নিষিদ্ধ নিয়ে দলগুলোর উদ্বেগ উঠে আসে।
ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের চলমান সংলাপে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চাইলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি সতর্ক করে বলেন, দলগুলো সহযোগিতা না করলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন “ঝুঁকির মুখে” পড়তে পারে।
সোমবার সকালে পাঁচটি ছোট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজনের পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে, কিন্তু রাজনৈতিক অনিচ্ছা নির্বাচন আয়োজনকে অস্থিতিশীল করতে পারে।
কমিশনাররা জানান, এবার আচরণবিধি প্রথমবারের মতো আরপিও–র সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, ফলে বিধি লঙ্ঘন সরাসরি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা হবে। ডিপফেক, অপপ্রচার ও বিদেশে ভোট গ্রহণ নিয়েও কমিশন নতুন মনিটরিং সেল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে।
সংলাপে অংশ নেওয়া দলগুলো পোস্টার নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত, দলীয় এজেন্ট ইস্যু, প্রবাসী ভোট, প্রচারণার সীমাবদ্ধতা এবং মাঠপর্যায়ে সহিংসতা মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ জানায়। তারা নির্বাচনের প্রতি জনগণের আস্থা কমে যাওয়ায় নির্বাচন কমিশনকে ‘কঠোর ও দৃশ্যমান’ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।
কমিশন জানিয়েছে, অনিয়ম হলে রিটার্নিং কর্মকর্তা পুরো আসনের ভোট স্থগিত করতে পারবেন এবং প্রয়োজন হলে কেন্দ্রের ফলাফল বাতিলও ঘোষণা করা যাবে।
















