আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থিত ‘হাউস অব হোপ’ বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি নতুন প্রামাণ্যচিত্রে ফিলিস্তিনি শিশুদের শিক্ষা, মানসিক বিকাশ এবং সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। ‘হাউস অব হোপ’ নামের এই চলচ্চিত্রে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মানার ওয়াহহাব ও তাঁর পরিবারের জীবনও অনুসরণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টি ওয়ালডর্ফ শিক্ষাদর্শ অনুসরণ করে, যেখানে শিশুদের আবেগ প্রকাশ, সৃজনশীলতা এবং অহিংস মূল্যবোধের বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হয়। নির্মাতা মারইওলাইন বুস্ত্রা জানিয়েছেন, তিন বছর ধরে পশ্চিম তীরে ধারণ করা এই প্রামাণ্যচিত্রের উদ্দেশ্য ছিল সংঘাতের মধ্যেও মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও মানবিক বাস্তবতা তুলে ধরা।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মানার ওয়াহহাবের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়টি ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সৃজনশীল পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করে। একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর পশ্চিম তীরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে বিদ্যালয় ও পরিবারের দৈনন্দিন জীবন আরও কঠিন হয়ে ওঠে এবং সে বাস্তবতাও চলচ্চিত্রে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘হাউস অব হোপ’ প্রামাণ্যচিত্রটি ২০২৬ সালের মে মাসে হট ডকস কানাডিয়ান আন্তর্জাতিক প্রামাণ্যচিত্র উৎসবে সেরা আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার পেয়েছে। এটি ইউনেসকোতে প্রদর্শিত হয়েছে এবং শিগগিরই জেরুজালেম আরব চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হওয়ার কথা রয়েছে।
















