পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সরকার ও ক্ষমতাসীন বিএনপি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্বে কোনো পরিবর্তন আসে কি না, সেটি স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সরকার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলীয় প্রার্থী হলে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নামও বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচিত হচ্ছে। দলের বাইরে থেকে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির নামও বিবেচনায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। বিএনপির নিরঙ্কুশ সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে দলটির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলীয় নাকি বাইরের কাউকে প্রার্থী করা হবে, সে সিদ্ধান্ত দলের স্থায়ী কমিটি সংবিধান ও আইন অনুযায়ী নেবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে এবং সংসদ সদস্যদের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর তফসিল ঘোষণা করা হবে। সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বরে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
















