দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ জলসীমায় সাম্প্রতিক নৌ-সংঘর্ষের জেরে ফিলিপাইন ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ম্যানিলায় বৈঠকে একে অপরের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনের দাবি, চীনের কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের নৌবাহিনীর এক সদস্যের ওপর হামলা চালিয়েছে; অন্যদিকে চীন অভিযোগ করেছে, ফিলিপাইনের সদস্যরাই প্রথমে চীনের আইনপ্রয়োগকারী জাহাজে ধাক্কা দেয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ফিলিপাইনকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘সঠিক ও যুক্তিসঙ্গত’ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফিলিপাইনের সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর কিছু অংশ বহিরাগত শক্তির প্রভাবে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে সংলাপের পরিবেশ নষ্ট করছে।
অন্যদিকে ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া থেরেসা লাজারো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তিনি ফিলিপাইনের সদস্যদের বিরুদ্ধে চীনের ‘অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগের পথ খোলা রাখা এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের উপায় নিয়ে দুই পক্ষের আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ চীন সাগরে সার্বভৌমত্ব নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও বারবার সামুদ্রিক মুখোমুখি অবস্থানের কারণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে। ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের রায় চীনের বিস্তৃত দাবিকে অকার্যকর ঘোষণা করলেও বেইজিং সেই রায় স্বীকৃতি দেয় না।
















