দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত সেকেন্ড থমাস শোল এলাকায় চীন ও ফিলিপাইনের নৌযানের মুখোমুখি অবস্থানের পর নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় ফিলিপাইনের এক নাবিক আহত হয়েছেন। তবে সংঘর্ষের জন্য উভয় দেশই একে অপরকে দায়ী করেছে।
ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনীর দাবি, চীনের কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ তাদের সামরিক চৌকি হিসেবে ব্যবহৃত ব্রিপি সিয়েরা মাদ্রে যুদ্ধজাহাজের কাছে এসে বাধা সৃষ্টি করে এবং এক নাবিককে কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি আহত হন। অন্যদিকে চীনের কোস্টগার্ডের দাবি, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ফিলিপাইনের দুটি নৌযান তাদের টহল জাহাজে ধাক্কা দেয় এবং তারাই প্রথম সংঘর্ষের সূচনা করে।
বিতর্কিত সেকেন্ড থমাস শোল ফিলিপাইনের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইজেড) মধ্যে পড়লেও চীন প্রায় পুরো দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে। ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত ফিলিপাইনের সামুদ্রিক অধিকারের পক্ষে রায় দিলেও চীন সেই রায় প্রত্যাখ্যান করেছে।
ঘটনার সময় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ম্যানিলায় আঞ্চলিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছিলেন, যেখানে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধ অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর চীনের কর্মকাণ্ডকে ‘বিপজ্জনক ও আগ্রাসী’ বলে উল্লেখ করে জানিয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
















