বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছানো চার দলের মধ্যে শিরোপা জয়ের সম্ভাবনায় ফ্রান্সকে সবচেয়ে এগিয়ে রেখেছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা। তাদের মূল্যায়নে স্পেন দ্বিতীয়, ইংল্যান্ড তৃতীয় এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফ্রান্স পুরো আসরজুড়ে সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ফুটবল খেলেছে। শক্তিশালী আক্রমণভাগ, দৃঢ় রক্ষণ এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে দলটিকে শিরোপার প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঘিরে গড়ে ওঠা আক্রমণকে প্রতিপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্পেনকেও অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। পুরো টুর্নামেন্টে দলটির রক্ষণভাগ ছিল অত্যন্ত সংগঠিত এবং তারা খুব কম গোল হজম করেছে। একই সঙ্গে আক্রমণভাগে ধারাবাহিক সুযোগ তৈরির সক্ষমতাও স্পেনকে শিরোপা লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রে বিশ্লেষকেরা বলছেন, দলটি এখনও নিজেদের সেরা খেলাটি উপহার দিতে পারেনি। তবে কঠিন পরিস্থিতিতে জয় তুলে নেওয়ার মানসিকতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে কয়েকজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স তাদের শেষ চারে পৌঁছে দিয়েছে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের সামনে বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে এবার তুলনামূলকভাবে কম সম্ভাবনাময় দল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, নকআউট পর্বে দলটি একাধিক কঠিন ম্যাচে জিতলেও পারফরম্যান্স খুব একটা প্রভাবশালী ছিল না। লিওনেল মেসির অভিজ্ঞতা দলটির বড় শক্তি হলেও সামগ্রিকভাবে আগের মতো ছন্দে নেই আর্জেন্টিনা।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, সেমিফাইনালে ফ্রান্স ও স্পেনের লড়াইকে অনেকেই আগাম ফাইনাল হিসেবে দেখছেন। দুই দলের সাম্প্রতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং বর্তমান ফর্মের কারণে ম্যাচটি বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চার দলেরই শিরোপা জয়ের সুযোগ থাকলেও বর্তমান পারফরম্যান্স, ভারসাম্যপূর্ণ দলগঠন এবং আক্রমণভাগের কার্যকারিতার দিক থেকে ফ্রান্স সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
















