যুক্তরাষ্ট্রের চারটি অঙ্গরাজ্যে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাইমারি ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেইন, নেভাডা, সাউথ ক্যারোলাইনা ও নর্থ ডাকোটায় ভোটাররা নির্ধারণ করবেন কোন প্রার্থীরা নভেম্বরের চূড়ান্ত নির্বাচনে অংশ নেবেন।
বিশেষ করে মেইনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। দেশটির উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার আশায় থাকা বিরোধী শিবিরের জন্য এই অঙ্গরাজ্যের আসনটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের বর্তমান সদস্যকে হারিয়ে আসনটি নিজেদের দখলে নিতে চায় তারা।
মেইনে বিরোধী শিবিরের অন্যতম প্রধান প্রার্থীকে ঘিরে সাম্প্রতিক কিছু বিতর্ক দেখা দিলেও জনমত জরিপে তিনি এগিয়ে রয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, নভেম্বরের নির্বাচনে এই আসনের ফলাফল জাতীয় রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
একই সঙ্গে অঙ্গরাজ্যটির নিম্নকক্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও শূন্য হচ্ছে, কারণ বর্তমান সদস্য পুনর্নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। ফলে উভয় দলই আসনটি নিজেদের দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
মেইনের গভর্নর পদেও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। মেয়াদসীমার কারণে বর্তমান গভর্নর দায়িত্বে থাকতে পারছেন না। এ কারণে উভয় দলের মধ্যেই একাধিক প্রভাবশালী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে নেভাডায় গভর্নর ও নির্বাচন প্রশাসন সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ছে। অঙ্গরাজ্যটি দীর্ঘদিন ধরেই দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। ফলে এখানকার ফলাফল জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।
সাউথ ক্যারোলাইনায় বিরোধী শিবির একটি অতিরিক্ত আসন জয়ের আশা করছে। তবে অঙ্গরাজ্যটি ঐতিহ্যগতভাবে ক্ষমতাসীন শিবিরের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। গভর্নর পদেও সেখানে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে।
নর্থ ডাকোটায় তুলনামূলকভাবে শান্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও একমাত্র কংগ্রেসীয় আসনটি নিয়ে দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেখানে বড় ধরনের অঘটনের সম্ভাবনা কম।
নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে জাতীয় আইনসভা কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তা নির্ধারণে এসব প্রাইমারি ভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই চার অঙ্গরাজ্যের ভোটকে আসন্ন নির্বাচনী লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
















